DVC Water Release: নাগাড়ে বৃষ্টি, DVC জল ছেড়ে দিল, ঠিক কোন কোন জেলায় প্লাবনের সম্ভাবনা? বিস্তারিত

বচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে দামোদরের নিম্ন অববাহিকায় অবস্থিত ৪ জেলা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি ও হাওড়া। প্লাবনের আশঙ্কা প্রবল। পূর্ব বর্ধমানে সবচেয়ে বেশি প্লাবনের আশঙ্কা জামালপুর, রায়না, খণ্ডঘোষের মতো এলাকাগুলিতে।

Advertisement
নাগাড়ে বৃষ্টি, DVC জল ছেড়ে দিল, ঠিক কোন কোন জেলায় প্লাবনের সম্ভাবনা? বিস্তারিতডিভিসি জল ছাড়ার জেরে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা
হাইলাইটস
  • আরও জল ছাড়তে পারে ডিভিসি
  • DVC-র জল ছাড়ার ফলে কোন কোন জেলায় প্লাবনের আশঙ্কা?
  • ডিভিসি-র সঙ্গে মমতা সরকারের সংঘাত বাঁধত অতীতে

বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের জেরে একদিকে যখন নাগাড়ে বৃষ্টি চলছে, তখন ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন (DVC)-র একাধিক বাঁধ থেকে জল ছাড়ার খবর। যার নির্যাস, পুজোর মুখে দক্ষিণবঙ্গে বহু জেলায় প্লাবনের আশঙ্কা। বুধবার সকাল থেকেই জল ছাড়া শুরু হয়েছে পাঞ্চেত ও মাইথনে। 

আরও জল ছাড়তে পারে ডিভিসি

জানা গিয়েছে, মাইথন থেকে ৫৫ হাজার কিউসেক ও পাঞ্চেত থেকে ৬৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। অর্থাত্‍ সব মিলিয়ে ১ লক্ষ ২০ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে। পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে আরও জল ছাড়া হতে পারে। গভীর নিম্নচাপের বৃষ্টির জেরে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহারের নদীগুলি প্রায় বিপদসীমা দিয়ে বইছে। বুধবারই দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে ৯৬ হাজার ৯০০ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে বলে খবর।

DVC-র জল ছাড়ার ফলে কোন কোন জেলায় প্লাবনের আশঙ্কা?

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে দামোদরের নিম্ন অববাহিকায় অবস্থিত ৪ জেলা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি ও হাওড়া। প্লাবনের আশঙ্কা প্রবল। পূর্ব বর্ধমানে সবচেয়ে বেশি প্লাবনের আশঙ্কা জামালপুর, রায়না, খণ্ডঘোষের মতো এলাকাগুলিতে। হুগলিতে আরামবাগ মহকুমায় প্রতিবছরই বন্যার কবলে পড়ে। আরামবাগ, পুরশুড়া, খানাকুল সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় জল ঢুকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হাওড়াতেও আমতা, উদয়নারায়ণপুর সহ একাধিক এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সম্ভাবনা।   

এছাড়াও প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, দুর্গাপুরের একাধিক এলাকা, বাঁকুড়ার পাত্রসায়র, সোনামুখীতে জল ঢুকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

ডিভিসি-র সঙ্গে মমতা সরকারের সংঘাত বাঁধত অতীতে

অতীতে ডিভিসি-র সঙ্গে বিগত রাজ্য সরকারের সংঘাত দেখা গিয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার অভিযোগ করতেন, ম্যান মেড বন্যা। ডিভিসি রাজ্য সরকারকে না জানিয়ে জল ছেড়েছে। পাল্টা ডিভিসি দাবি করত, সব জানানো হয়েছে। জানিয়েই জল ছাড়া হয়েছে। ডিভিসি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্ত সংস্থা। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার। ফলে ডিভিসি-র সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের পরিস্থিতি হবে না, স্বাভাবিক। কিন্তু সরকারে আসার ৩ মাসের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি বিজেপি কীভাবে সামাল দেবে, সেটা বড় চ্যালেঞ্জ।

Advertisement

দামোদর নদ সংলগ্ন এলাকাগুলিতে পুজোর সময়েও অনেক ক্ষেত্রে বন্যার কবলে পড়তে হয়। সেপ্টেম্বরে যদি আরও বৃষ্টি বাড়ে, তা হলে উত্‍সবের আবহে বন্যার ভয়াল পরিস্থিতির প্রমাদ গুনতে হবে। 

POST A COMMENT
Advertisement