শুভেন্দু অধিকারীযারা 'বন্দে মাতরম’ বলতে চায় না, তারা কেন সরকারি সুবিধা পাবে? আজ নন্দীগ্রামের জনকল্যাণ শিবির থেকে এই প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এই অনুষ্ঠান থেকে তিনি বলেন, 'কিছু মানুষ তাদের সন্তানদের টিকা দেয় না। তারা সন্তানদের সরকারি স্কুলেও ভর্তি করায় না। বরং এমন প্রতিষ্ঠানে পাঠায় যেখানে বন্দে মাতরম বা জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয় না। তাহলে তারা কেন সরকারি সুবিধা পাবে? সেই কারণেই এই ফর্ম পূরণ করতে হবে।'
পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে দেন যে বাংলাদেশ থেকে কেউ এসে এখানে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবে না। তাঁর কথায়, 'আপনারা সবাই জাতীয়তাবাদী। আপনারা নিশ্চয়ই চাইবেন না যে বাংলাদেশ থেকে কেউ এসে এখানে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করুক।'
ভুয়ো অ্যাকাউন্ট নিয়ে আবার সরব মুখ্যমন্ত্রী
এ দিন জনকল্যাণ শিবির থেকেও তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ শুরু করেন শুভেন্দু। মূলত বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের দুর্নীতি নিয়েই তিনি সরব হন। শুভেন্দু বলেন, 'তৃণমূল কংগ্রেস জনগণের টাকা লুট করেছে। বিধবা ভাতা পুরুষদের নামে দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদের ডোমকলে ৩,৫০০টি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ধরা পড়েছে। এসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সংখ্যালঘু বৃত্তির টাকা বিতরণ করা হয়েছে।'
যদিও তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া শুরু হয়েছে। প্রকল্প চালুর পর ৭৯ লক্ষ মহিলারা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে গিয়েছে।
১ জুলাই থেকে ১০০ দিনের বদলে ১২৫ দিনের কাজের ঘোষণা
এ দিন শুভেন্দু বলেন, 'আমরা ইতিমধ্যেই ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প শুরু করেছি। আগামী ১ জুলাই থেকে আপনারা ১২৫ দিনের কাজ পাবেন। এর জন্য ৮,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।'
এছাড়া তিনি সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবিলা নিয়েও মুখ খোলেন। শুভেন্দু দাবি করেন, বর্তমানে তিনি দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন। সেই মতো সমস্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে তাঁর সরকার।
এছাড়া জনগণনা পরিচালনাও সরকার শুরু করেছে বলে জানান তিনি। এভাবেই রাজ্য গড়ার কাজ তিনি শুরু করেছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।