দিঘা-মন্দারমণিতে ইচ্ছেমতো বুকিং নয় পুলিশের কাছে পৌঁছবে তথ্য, চালু নয়া বন্দোবস্তপুজোর আবহ কাটতে না কাটতেই আবারও মন্দারমণিতে দুর্ঘটনা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ৬ জন বন্ধু মন্দারমণির সমুদ্রে স্নান করতে নেমেছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত সকলেই তলিয়ে যান। তাঁদের মধ্যে ৪ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি ২ জন বন্ধুর কোনও হদিশ মেলেনি। মন্দারমণি কোস্টাল থানার পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা উদ্ধারের জন্য তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ৪ বন্ধুর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাদশীর দিন হাওড়ার ডোমজুড় থেকে ৬ বন্ধু মন্দারমণিতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি হোটেলে ওঠেন সকলে। ৬ জন হোটেল থেকে বেরিয়ে সমুদ্রে স্নানে যান। স্নান করতে করতেই ৬ বন্ধুই বিপজ্জনক জায়গায় চলে গিয়েছিলেন। একটা সময়ে টাল সামলাতে না পেরে ৬ জনই তলিয়ে যাচ্ছিলেন ক্রমশ। তাঁদের ওই পরিস্থিতিতে দেখে এগিয়ে আসেন কর্মরত নুলিয়া। তিনি গিয়ে ৪ জনকে উদ্ধার করতে পারলেও বাকি দু'জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। জলের টানে গভীরে তলিয়ে যান ওই ২ জন। পুজোর পর আনন্দ করতে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু সামান্য অসাবধানতার কারণে আনন্দ বদলে গেল বিষাদে। তবে এই বন্ধুরা মত্ত অবস্থাতেই সমুদ্রে নেমেছিলেন বলে প্রাথমিক অনুমান।
সম্প্রতি মন্দারমণিতে সমুদ্রস্নানে নেমে তলিয়ে গিয়েছিল গোটা পরিবার। মন্দারমণির একটি রিসর্টের সামনে সমুদ্রে স্নান করতে নেমেছিলেন শান্তিপুরের বাসিন্দা সুমন শীল (২৪), বৃষ্টি শীল (১৮) এবং তাঁদের পরিচিত অপর এক নাবালক সোমনাথ হালদার (১০)। দিঘা থেকে টোটো করে মন্দারমণিতে বেড়াতে এসে সমুদ্রে স্নান করতে নেমে ৩ জনেই তলিয়ে যায়। মন্দারমণি গোয়া বিচ রিসোর্টের সামনেই সপরিবারে স্নানে নেমেছিলেন তাঁরা। তারপর উত্তাল সমুদ্রে তলিয়ে যান। নাবালককেস্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক সোমনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।