Lagnajita-Rudranil Ghosh: অনুষ্ঠান করতে গিয়ে লগ্নজিতাকে হেনস্থা, পাশে দাঁড়ালেন রুদ্রনীল

Lagnajita-Rudranil Ghosh: ১১ বছরের দীর্ঘ শিল্পীজীবনে এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে, তা হয়তো নিজেও কল্পনা করতে পারেননি গায়িকা লগ্নজিতা। কিন্তু বাস্তবে ঠিক সেটাই ঘটেছে। সম্প্রতি মেদিনীপুরের ভগবানপুর থানায় একটি গুরুতর অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

Advertisement
অনুষ্ঠান করতে গিয়ে লগ্নজিতাকে হেনস্থা, পাশে দাঁড়ালেন রুদ্রনীল রুদ্রনীল ঘোষ
হাইলাইটস
  • ১১ বছরের দীর্ঘ শিল্পীজীবনে এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে, তা হয়তো নিজেও কল্পনা করতে পারেননি গায়িকা লগ্নজিতা।

১১ বছরের দীর্ঘ শিল্পীজীবনে এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে, তা হয়তো নিজেও কল্পনা করতে পারেননি গায়িকা লগ্নজিতা। কিন্তু বাস্তবে ঠিক সেটাই ঘটেছে। সম্প্রতি মেদিনীপুরের ভগবানপুর থানায় একটি গুরুতর অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। অভিযোগপত্রে গায়িকা জানিয়েছেন, একটি প্রকাশ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চে উঠে এক ব্যক্তি তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য বিপদের কথা ভেবেই তিনি আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হন বলে জানিয়েছেন।

লগ্নজিতার অভিযোগ অনুযায়ী, অনুষ্ঠান চলাকালীন তিনি সপ্তম গান হিসেবে তাঁর অত্যন্ত প্রিয় গান— দেবী চৌধুরানী ছবির ‘জাগো মা’—নিয়ে দর্শকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। ঠিক সেই সময়েই হঠাৎ করে এক ব্যক্তি মঞ্চে উঠে তাঁকে শাসানি দিতে শুরু করেন। অভিযোগে নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তি মেহবুব রাড্ডা মল্লিক, যিনি নাকি সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষের একজন সদস্য। প্রকাশ্যে এই ধরনের হুমকিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গায়িকা এবং অনুষ্ঠানস্থলেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এই ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে সর্বত্র। রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক জগতের বহু পরিচিত মুখ লগ্নজিতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। শিল্পীর স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন অভিনেতা ও সাংস্কৃতিক কর্মী রুদ্রনীল ঘোষও। তাঁর মন্তব্যে উঠে এসেছে ক্ষোভ এবং উদ্বেগ—“কণ্ঠরোধের বার্তা পেলেন শিল্পী লগ্নজিতা। জেহাদিরা দেয় ফতোয়া—কবর কিংবা চিতা! হয় জাগুন, নয় পুড়ুন।” তবে হুমকি কিংবা ভয়—কোনোটাতেই পিছিয়ে যেতে নারাজ লগ্নজিতা নিজে। স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানিয়েছেন, ‘জাগো মা’ গান তিনি গাওয়া বন্ধ করবেন না। গায়িকার কথায়, “এই গান আমি গাইব না—এটা হতেই পারে না। ২৬ তারিখ আমার আবার অনুষ্ঠান আছে, সেখানে আমি এই গান গাইবই। আমি কাজ করতে গিয়েছি, মার খেতে যাইনি। কেউ যেন মঞ্চে উঠে আমার গায়ে হাত না তোলে—এটাই শুধু চাই।” এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন প্রশ্ন উঠছে—শিল্পীর স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশের অধিকার আদৌ কতটা সুরক্ষিত?

Advertisement


 

POST A COMMENT
Advertisement