নাবালিকার গণধর্ষক ও খুনিদের কী শাস্তি? বারুইপুরে অগ্নিমিত্রা, লকেটরা

বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার জেরে মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির প্রতিনিধি দল। তাঁদের দাবি, রাজ্য সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করেছে এবং পরিবারকেও সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
নাবালিকার গণধর্ষক ও খুনিদের কী শাস্তি? বারুইপুরে অগ্নিমিত্রা, লকেটরাবারুইপুরের নির্যাতিতার বাড়িতে বিজেপির প্রতিনিধিরা।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।
  • ঘটনার জেরে মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির প্রতিনিধি দল।

বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার জেরে মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির প্রতিনিধি দল। তাঁদের দাবি, রাজ্য সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করেছে এবং পরিবারকেও সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, মূল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করলে কাউকেই রেয়াত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীরও বারুইপুরে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন এবং জেলার পুলিশ সুপারের কাছ থেকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানবেন। এর আগে মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার বাড়িতে পৌঁছন বিজেপির প্রতিনিধি দল। দলে ছিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ।

পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, 'আমাদের মুখ্যমন্ত্রী নিয়মিত ফোন করে পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছেন। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিবার সরকারের উপর আস্থা রেখেছে। আমরা তাঁদের পাশে দাঁড়াতে এবং সাহস জোগাতেই এসেছি।' প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও বলেন, 'পরিবার রাজ্য সরকারের পদক্ষেপে সন্তুষ্ট। আমরা চাই, বাংলায় যে-ই অপরাধ করুক, তার কঠোরতম শাস্তি হোক। সেই বার্তাই দিতে এবং পরিবারকে আশ্বস্ত করতেই আজ এখানে এসেছি।'

উল্লেখ্য, শনিবার থেকে নিখোঁজ থাকা ওই নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ রবিবার সকালে স্থানীয় একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হয়। ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার প্রতিবাদে সেদিন সারাদিন দেহ আটকে বিক্ষোভ চলে। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে এক অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) পুরো ঘটনার তদন্ত করছে।

Advertisement

এদিকে মূল ধর্ষণ-খুনের মামলার পাশাপাশি গণপিটুনিতে এক সন্দেহভাজনের মৃত্যু, পুলিশকে মারধর এবং রেললাইন অবরোধের ঘটনাতেও পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনায় প্রায় ২০০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement