গ্রেফতার হুমায়ুনসকাল সকাল গ্রেফতার করা হল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরকে। রেজিনগরের পার্টি অফিস থেকে বেরিয়ে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় পুলিশ তাঁকে প্রথমে দাঁড় করায়। তারপর পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয়ে যায় হুমায়ুনের। এই সময় তাঁকে টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তোলে পুলিশ। তাঁকে আটক করে রেজিনগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর আইন ভাঙার দায়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
যখন তাঁকে আটক করার চেষ্টা করে পুলিশ, তখনও পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন হুমায়ুন। তিনি বলেন, 'বলছি গায়ে হাত দেবেন না।' কিন্তু সেই সময় তাঁকে কার্যত জোর করেই আটক করা হয় বলে অভিযোগ। এই সময় পুলিশকে হুঙ্কার দিয়ে হুমায়ুন বলেন, 'বাড়াবাড়ি করবেন না কিন্তু।'
আসলে সকাল থেকেই হুমায়ুনের বাড়ির বাইরে পুলিশি পাহাড়া ছিল। এমন পরিস্থিতিতে হুমায়ুন পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছিলেন। তাঁর দাবি, পুলিশ দলের এজেন্ট বসতে দিচ্ছে না। পুলিশ জুলুম করছে। পুলিশ দলদাসের মতো কাজ করছে। তারপরই তিনি নিজের পার্টি অফিসে যান। মুগুর হাতে রাস্তায় নামার হুঙ্কার দেন। এমন সময় পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয়ে যায়। তারপর হয় ধস্তাধস্তি। সেখান থেকে তাঁকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। তারপর আইন ভাঙার জন্য তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
আজ সকাল সকাল রেজিনগরে নিজের কেন্দ্রে ভোট দিতে হাজির হুমায়ুন কবীর। ভোট দিতে এসেই পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন হুমায়ুন। তিনি বলেন, ‘বুথে বুথে বাধা দিচ্ছে বিজেপি। রেজিনগরে ভোট লুঠ হচ্ছে।’
এরপরই পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেছিলেন, 'পারলে গ্রেফতার করুন।' এমনকী ভোটে বাধা দিতে এলে রাস্তায় মুগুড় নিয়ে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে বিধায়ককে আটক করল পুলিশ। টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তোলে পুলিশ। তাঁকে রেজিনগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে যানা গিয়েছে।
মাথায় রাখতে হবে, আজ নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন চলছে। কড়া নিরাপত্তা রয়েছে দুই কেন্দ্রে। এমন পরিস্থিতিতে সকালেই রেজিনগরে গ্রেফতার করা হল হুমায়ুন কবীরকে।