BSF জওয়ানকে ফেলে পেটাল RPF কর্মী, পুরুলিয়ায় চাঞ্চল্য

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর প্রায় বারোটা নাগাদ। পুরুলিয়া জেলার বরাভূম রেল স্টেশনের রেল ফটক সংলগ্ন এলাকায় ওই সময় দাঁড়িয়ে ছিলেন রাঙ্গাডি গ্রামের বাসিন্দা বিজয় কুমার। তিনি একজন বিএসএফ জওয়ান এবং ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
BSF জওয়ানকে ফেলে পেটাল RPF কর্মী, পুরুলিয়ায় চাঞ্চল্য
হাইলাইটস
  • পুরুলিয়ায় ফের প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা বাহিনীর আচরণ।
  • দেশরক্ষার দায়িত্বে থাকা এক বিএসএফ জওয়ানকে প্রকাশ্য রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল রেল সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ)-এর বিরুদ্ধে।

পুরুলিয়ায় ফের প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা বাহিনীর আচরণ। দেশরক্ষার দায়িত্বে থাকা এক বিএসএফ জওয়ানকে প্রকাশ্য রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল রেল সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ)-এর বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বরাভূম রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায়। ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর প্রায় বারোটা নাগাদ। পুরুলিয়া জেলার বরাভূম রেল স্টেশনের রেল ফটক সংলগ্ন এলাকায় ওই সময় দাঁড়িয়ে ছিলেন রাঙ্গাডি গ্রামের বাসিন্দা বিজয় কুমার। তিনি একজন বিএসএফ জওয়ান এবং ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রেল ফটকে কর্তব্যরত এক আরপিএফ কর্মী সাধারণ মানুষকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করছিলেন। সেই আচরণের প্রতিবাদ করেন বিজয় কুমার। তাঁর বক্তব্য ছিল, একজন নিরাপত্তা কর্মীর কাছ থেকে এই ধরনের ভাষা কখনওই গ্রহণযোগ্য নয়।

এই প্রতিবাদই কাল হয়ে দাঁড়ায় বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিজয় কুমারের কথায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ওই আরপিএফ কর্মী। প্রথমে তর্কাতর্কি শুরু হলেও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অভিযোগ, ওই আরপিএফ কর্মী এবং তাঁর সঙ্গে থাকা আরও এক সদস্য মিলে প্রকাশ্য রাস্তায় বিজয় কুমারের উপর চড়াও হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাস্তায় ফেলে ঘুষি, লাথি ও চড়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বিএসএফ জওয়ানকে। মারধরের জেরে তাঁর মুখ ফেটে যায়, নাক দিয়ে রক্ত বেরোতে থাকে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ প্রথমে হতবাক হয়ে যান। পরে কয়েকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিজয় কুমারের পরিবারের সদস্যরা। তাঁর বাবা মানিক কুমার অভিযোগ করে বলেন, 'আমার ছেলে সীমান্তে দাঁড়িয়ে দেশের পাহারা দেয়। ছুটিতে বাড়ি এসে যদি তাকে এভাবে রাস্তায় ফেলে মারা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?'

Advertisement

প্রতিবেদক: সত্যজিৎ বন্দ্য়োপাধ্যায়

 

POST A COMMENT
Advertisement