Anubrata Mondal: অনুব্রতকে কলার ধরে শাসানি, হুমকি, হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন 'বীরভূমের বাঘ'

'বীরভূমের বাঘ' বলে ডাকা হত যাঁকে সেই অনুব্রত মণ্ডলের কলার ধরে টানাহ্যাঁচড়া করা হল। দেওয়া হল হুমকিও। হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে দেখা গেল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন এই জেলা সভাপতিকে। 

Advertisement
অনুব্রতকে কলার ধরে শাসানি, হুমকি, হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন 'বীরভূমের বাঘ'অনুব্রত মণ্ডল
হাইলাইটস
  • অনুব্রতকে কলার ধরে শাসানি
  • ৩ যুবক ভাঙচুর চালাল পার্টি অফিসে
  • হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন 'বীরভূমের বাঘ'

দৌর্দণ্ডপ্রতাপ। এই বিশেষণটিই তাঁর নামের সামনে বসানো হত একটা সময়ে। 'বীরভূমের বাঘ' বলে ডাকা হত যাঁকে সেই অনুব্রত মণ্ডলের কলার ধরে টানাহ্যাঁচড়া করা হল। দেওয়া হল হুমকিও। হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে দেখা গেল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন এই জেলা সভাপতিকে। 

সিউড়ির পার্টি অফিস। অনুব্রত মণ্ডল চেয়ারে মুখ কাঁচুমাচু করে বসে রয়েছেন। তাঁর সামনে লাঠি, রড নিয়ে ভাঙচুর চালাচ্ছে একদল যুবক। প্রত্যেকেরই মুখে কাপড় বাঁধা। ভাঙচুরের পাশাপাশি তাঁরা অনুব্রত মণ্ডলকে শাসাচ্ছেন। স্পষ্ট ভাষায় বলছেন, 'সিউড়িতে যেন আর না দেখি।' তাঁর বুকে লাঠি ঠেকিয়ে ওই যুবকরা সরাসরি হুমকি দিচ্ছেন। তারপরই অনুব্রতকে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে দেখা যাচ্ছে। গোটা বিষয়টা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। 

যে কেষ্ট মণ্ডলের দাপটে একটা সময়ে বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খেত, যাঁর চড়াম চড়াম আর গুড় বাতাসা খাওয়ার বাণীতে বিরোধী পক্ষ কাঁপত, সেই অনুব্রতকে এমন ভাবে শাসানি, অবাক করেছে অনেককেই। ৩ জন যুবক রড-লাঠি নিয়ে তাঁর পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালাল, হুমকি দিল অথচ অনুব্রতকে সাহায্য করতে কেউ এল না। 

নির্বাচনে পরাজয়ের পর এই প্রথম সিউডির পার্টি অফিসে যান অনুব্রত। সেখানে এক তলায় বসেছিলেন তিনি। ক্যারাম খেলছিলেন তাঁর দলের লোকজন। তখনই ঘটে যায় এই অপ্রত্যাশিত ঘটনা। 

অনুব্রত মণ্ডলকে 'গরুচোর' বলে কটাক্ষ করছিলেন ওই যুবকরা। তাঁদের বলতে শোনা যায়, '১৫ বছর ধরে বীরভূমের মানুষের উপর অনেক অত্যাচার করেছিস।' কেষ্ট হাতজোড় করে বলেন, 'আমার একটা কথা শোনো...'। তাঁকে মাঝপথে থামিয়ে ওই যুবকদের একজন বলে ওঠেন, 'আর একটা কথাও নয়।' বলতে বলতে তাঁর সামনের টেবিলে গাছের ডাল দিয়ে মারেন ওই যুবকরা। কাচ ছিটকে পড়ে কেষ্টর গায়ে। তবুও হাসিমুখেই বসে থাকতে দেখা যায় অনুব্রতকে।

 

POST A COMMENT
Advertisement