বারুইপুর কাণ্ডে অবস্খান জানালেন অগ্নিমিত্রা বারুইপুরে কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের গুলিতে এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে। তা নিয়ে মুখ খুললেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর সাফ বার্তা, দুষ্টু ভাইয়েরা সতর্ক হয়ে যান। পরিণতি কিন্তু ভালো হবে না।
এদিন বারুইপুরে এনকাউন্টার প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে অগ্নিমিত্রা বলেন, 'মাত্র ৫০ দিনের মধ্যে দেখিয়ে দেওয়া গেল জিরো টলারেন্স নীতির নমুনা। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিয়ে দিলেন। এখনও যাঁরা ভাবছেন ওই মহিলাকে খারাপ কথা বলব, হেনস্থা করব, গলি-মহল্লায় অমুক মহিলাকে ধরব। তাঁরা সতর্ক হয়ে যান। আমি একজন মহিলা হিসেবে, দুষ্টু ভাইদের বলব, আপনারা সতর্ক হয়ে যান। দিদিভাই হিসেবে এই পরামর্শ দেব।'
প্রায় একই সুর শোনা যায় জগন্নাথ সরকারের গলাতেও। রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ বলেন, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে শপথ নিয়েছিলেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী। তিনিও তাঁর পথেই চলছেন। জঙ্গলরাজ বরদাস্ত করা হবে না। ধর্ষকদের কোনও ক্ষমা নেই। পালানোর চেষ্টা করেছিল, খতম হয়েছে। এমনকী ওর মা ও বউ জানিয়েছেন, তাঁরা খুশি।'
এই এনকাউন্টারের সমালোচনা করেছেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তারও জবাব দেন অগ্নিমিত্রা ও জগন্নাথ। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, 'তৃণমূলের আমলে তো ধর্ষকরা ছাড়া পেত। কত উদাহরণ দেব। বাংলায় প্রতিদিন ধর্ষণ হয়েছে আগের সরকারের আমলে। পুলিশ বলত, টাকা দিয়ে সেটিং করতে। তৃণমূল একদিকে মোমবাতি মিছিল করবে আবার এনকাউন্টারের সমালোচনা করবে। এটাই তাদের পক্ষে স্বাভাবিক। আমরা তার উত্তর দেব না। সাঁইবাড়ি, হাঁসখালি, আরজি কর, কামদুনিতে যে ধর্ষণ হয়েছিল সেগুলোর দায়িত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেননি কেন?'
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে পৌনে একটা নাগাদ ধর্ষণে অভিযুক্ত প্রভাসকে অপরাধস্থলে ঘটনার পুনঃনির্মাণ নিয়ে যায় পুলিশ। অভিযোগ সে পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। তখন পুলিশ এক রাউন্ড গুলিও চালায়। পাল্টা গুলিতে জখম হয় প্রভাস। ওই অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।