বায়রন বিশ্বাস কেমন আছেন? এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে দিল্লি AIIMS–এ নিয়ে যাওয়া হয়েছে অগ্নিদগ্ধ বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসকে। রবিবারই মুর্শিদাবাদ থেকে দিল্লি উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে।
বায়রন বিশ্বাস, গত শনিবার দুপুরে সামশেরগঞ্জে নিজের বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর শরীরের একাধিক অংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে খবর। যদিও ঠিক কী কারণে তাঁর বাড়িতে আগুন লাগে, তা নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। নানা জল্পনার মাঝেই সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেন বায়রনের দাদা মিল্টন বিশ্বাস।
দাদার দাবি, শর্ট সার্কিট থেকে তাঁদের বাড়িতে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সে সময়ে দোতলার ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন বায়রন। কোনও ভাবে শর্ট সার্কিট থেকে ইন্ডোর এসি ইউনিটে আগুন ধরে বিকট শব্দে ব্লাস্ট হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় এসি থেকে ঘরের ভিতরে হু হু করে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মিল্টন জানিছেন, বায়রন নিজে আগুন নেভার চেষ্টা করছিলেন, সে কারণেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে যান।
ঘটনার সময়ে মিল্টন বিশ্বাস ও তাঁদের অন্য এক ভাই বাড়িতে ছিলেন না। ব্যবসার কাজে বাইরে গিয়েছিলেন। তবে খবর পেয়ে দ্রুত ফেরেন তাঁরা। সূত্রের খবর বায়রনের শরীরের অনেকটা অংশই পুড়ে গিয়েছে। তাঁর ২টি পায়ের হাঁটু থেকে নীচের অংশ পুড়ে গিয়েছে। একটি হাতের কব্জিও মারাত্মক বাবে জখম। তিনি স্থিতিশীল বলেই খবর মিলেছিল।
যদিও ৪৮ ঘণ্টা মুর্শিদাবাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর রবিবার তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হল এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে। কারণ হিসেবে উঠে আসছে, সামশেরগঞ্জের হাসপাতালের ICU ইউনিটে ভর্তি থাকার সময়ে তাঁর শরীরে দেখা যাওয়া নতুন কিছু সমস্যা। তাঁর ডায়াবেটিস রয়েছে। আচমকা সুগার ফলও করে বলে খবর। আর সে কারণেই ক্ষত সারতে সময় লাগছে।