নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের বিজেপি প্রার্থীনন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আসন্ন উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বিজেপি। নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ। অপরদিকে রেজিনগরে প্রার্থী হলেন শাখারভ সরকার। তিনি বিজেপির নেতা।
শাখারব সরকার কে?
বর্তমান রাজ্য বিজেপির পরিচিত মুখ শাখারভ সরকার। তিনি বহুদিনের বিজেপি কর্মী। তিনি মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। এখন তাঁকে বিজেপি রেজিনগরে প্রার্থী করল। তাঁকেই কঠিন আসনে জয় ছিনিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়েছে। আর নয়া চ্যালেঞ্জ পেয়ে প্রত্যয়ী শাখারভ। তিনি বিশ্বাসী যে এবার নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকেই ভোট দেবেন।
তিনি বলেন, 'এবারের নির্বাচনে রেজিনগরের মানুষ প্রকৃত উন্নয়নের জন্য তৈরি। ব্রিজ চাই ও কলেজ চাই। ডেভেলপমেন্ট চাই। সেই সংকল্প নিয়েই রেজিনগরের মানুষ ভোটদান করবেন। এখানকার মানুষ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে ভোট দেবেন।'
হাসিরানি রথ কে?
নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ। সেই বিষয়ে শিলমোহর দিয়েছেন খোদ হাসিরানিদেবীই। তারপর আজ সকালেই বিষয়টা কনফার্ম করে দেয় বিজেপি। দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী তালিকায় তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়।
যতদূর খবর, আজই নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মনোনয়ন পেশ করবেন তিনি। সেই সময় সেখানে উপস্থিত থাকবেন শুভেন্দু অধিকারীও। মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে প্রচুর কর্মী-সমর্থক নিয়ে মিছিল করে মনোনয়ন পেশ করবেন হাসিরানি রথ বলে জানা যাচ্ছে। তবে মিছিল নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই ঘোষণা করা হয়নি।
ওদিকে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন মিলন প্রধান। প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে সিপিআইও। তাদের প্রার্থী, শান্তিগোপাল গিরি।
প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে সার্বিকভাবে বিজেপির দায়িত্বে রয়েছেন, কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী। নিহত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি আগেই সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীই হচ্ছেন আমার পরিবারের অভিভাবক। উনি যদি আমাকে কোনও দায়িত্ব দেন, আমি মাথা পেতে নেব।'
কেন উপনির্বাচন?
আসলে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর রেজিনগর এবং নওদায় আম জনতা পার্টির হয়ে ভোটে লড়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। তাঁরা দুইজনই দুই সিটে জয়ী হন। তারপর নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন থেকে পদত্যাগ করতে হয়। সেই নিয়ম মেনে শুভেন্দু নন্দ্রীগ্রাম থেকে এবং হুমায়ুন রেজিনগর থেকে পদত্যাগ করেন। সেখানেই অক্টোবরে হবে ভোট।