নৈহাটির বড়োমা মন্দির কমিটি ভেঙে দিলেন বিজেপি বিধায়ক, ভিআইপি সংস্কৃতি বন্ধের নির্দেশ 

উল্লেখ্য, এতদিন এই কমিটির সভাপতি ছিলেন নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়। কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে এবং এক প্রভাবশালী কাউন্সিলরের ছেলে অরিত্র বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধায়কের নির্দেশের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ট্রাস্টি বোর্ডের একটি বৈঠক ডাকা হয়, সেখানেই কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে ওই বৈঠকে অশোক চট্টোপাধ্যায়, সনৎ দে এবং অরিত্র বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন না।

Advertisement
নৈহাটির বড়োমা মন্দির কমিটি ভেঙে দিলেন বিজেপি বিধায়ক, ভিআইপি সংস্কৃতি বন্ধের নির্দেশ ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • নৈহাটিতে বড়মা মন্দিরের পরিচালনা কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
  • নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

নৈহাটিতে বড়মা মন্দিরের পরিচালনা কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, মন্দির পরিচালনায় কোনওভাবেই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না, পুরো দায়িত্ব থাকবে সেবায়েতদের হাতে। পাশাপাশি ভিভিআইপি সংস্কৃতি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার কথাও জানানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই নতুন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হবে। তবে আপাতত বিদায়ী সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্যই এই দায়িত্ব সামলাবেন।

উল্লেখ্য, এতদিন এই কমিটির সভাপতি ছিলেন নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়। কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে এবং এক প্রভাবশালী কাউন্সিলরের ছেলে অরিত্র বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধায়কের নির্দেশের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ট্রাস্টি বোর্ডের একটি বৈঠক ডাকা হয়, সেখানেই কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে ওই বৈঠকে অশোক চট্টোপাধ্যায়, সনৎ দে এবং অরিত্র বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন না।

নতুন কমিটি গঠনের আগে বিধায়কের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে। মন্দির পরিচালনায় দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন প্রাক্তন সভাপতি তথা পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার মতো নৈহাটির বড়মা মন্দির কমিটিতেও বড় পরিবর্তন এসেছে।

এই মন্দিরে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্ত আসেন। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে তাঁরা পুজো দেন। সেই কারণেই বিধায়ক জানিয়েছেন, এখানে কোনও ভিআইপি সংস্কৃতি থাকবে না। এমনকি তিনি নিজেও মন্দিরে এলে লাইনে দাঁড়িয়েই পুজো দেবেন। প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া সকলকেই সাধারণ ভক্তদের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে পুজো দিতে হবে।

আজ শনিবার ফলহারিনী কালীপুজোকে কেন্দ্র করে নৈহাটিতে ব্যাপক ভিড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই পুরনো পরম্পরা বজায় রেখে এবছরও ভক্তসমাগম কেমন হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে প্রশাসন ও মন্দির কর্তৃপক্ষের। নতুন কমিটি গঠন হলে কারা দায়িত্বে আসবেন, তা নিয়েও কৌতূহল বাড়ছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement