Koustav Bagchi attacks Kalyan Banerjee: 'পচা ডিম কম পড়েছে?' কল্যাণকে কড়া আক্রমণ কৌস্তভের, বললেন 'মাতাল'

কৌস্তভ বলেন, 'এই ধরনের মানুষের সঙ্গে কী করা উচিত? যদি মনে করেন ডিমের দাম ৮ টাকা হওয়ায় বেশি লাগছে। তাহলে দুপুর সাড়ে ১২টার পর বাজারে যাবেন। অনেক পচা টমেটো-আলু পাওয়া যায়। এগুলি দিয়ে ভাল করে স্বাগত জানানোর ব্যবস্থা করবেন আমাদের যুব মোর্চা ভাইরা।'

Advertisement
'পচা ডিম কম পড়েছে?' কল্যাণকে কড়া আক্রমণ কৌস্তভের, বললেন 'মাতাল'কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণে কৌস্তভ বাগচী (ছবি: ফেসবুক)
হাইলাইটস
  • এই ধরনের মানুষের সঙ্গে কী করা উচিত?
  • তাহলে দুপুর সাড়ে ১২টার পর বাজারে যাবেন
  • অনেক পচা টমেটো-আলু পাওয়া যায়

'শ্রীরামপুরে ঢুকছে কী করে? পচা ডিম কি কম পড়েছে? ডিমের দাম যদি বেশি মনে হয়, বাজারে পচা আলু-টমেটো আছে তো', এভাবেই মমতাপন্থী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপির বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। শ্রীরামপুরের সভা থেকেই তিনি কল্যাণকে টার্গেট করেন। এমনকী কর্মী-সমর্থকদের 'ডিম মারার' নিদানও দেন বলে অভিযোগ। এছাড়া কল্যাণকে 'মাতাল' বলতেও ছাড়েননি তিনি। 

সভার শুরু থেকেই বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছেন কৌস্তভ। তিনি বলেন, 'আমি এখানে সভা করতে আসছি শুনে একজন বলল, কদিন আগেই অন্য একটা রাজনৈতিক দল এখানে সভা করেছে। অন্য রাজনৈতিক দলই বলছি। কারণ, ওদের আসল নামটা এখনও জানা নেই। বালিশ চাটা নাকি চটি চাটা। আমাদেরটা যদি যুব গর্জন সভা বলা হয়, তাহলে ওদেরটা ছিল ঘেউ ঘেউ সভা।'

এরপরই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি আক্রমণ শুরু করেন কৌস্তভ। তিনি জানতে চান, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক কীভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করেন? তিনি দাবি করেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পা ধরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমা চাওয়াবেন। 

তারপর আরও একধাপ এগিয়ে কল্যাণকে 'মাতাল' বললেন কৌস্তভ। এরপরই তিনি কীভাবে কল্যাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সেটা শিখিয়ে দেন সভায় আগত কর্মী সমর্থকদের। তিনি বলেন, 'এই ধরনের মানুষের সঙ্গে কী করা উচিত? যদি মনে করেন ডিমের দাম ৮ টাকা হওয়ায় বেশি লাগছে। তাহলে দুপুর সাড়ে ১২টার পর বাজারে যাবেন। অনেক পচা টমেটো-আলু পাওয়া যায়। এগুলি দিয়ে ভাল করে স্বাগত জানানোর ব্যবস্থা করবেন আমাদের যুব মোর্চা ভাইরা।'

তিনি দাবি করেন, কল্যাণ যেখানেই যাবেন, সেখানেই এই দাওয়াই দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আর যুব মোর্চার ভাইয়েরা সেটাই করবেন বলে সভা থেকেই জানিয়ে দেন তিনি। এরপরই কৌস্তভ বলেন, 'শ্রীরামপুরে ঢোকে কোন সাহসে? ও যেন বাড়ি থেকে বেরোতে না পারে।'

কৌস্তভের কথায়, 'মাতালের আরও অনেক গুন আছে। এখানে ওনার এক বিশ্বস্ত সৈনিক আছে পাপ্পু সিং। খোঁজ নেবেন তাঁর ফ্ল্যাটে কী কী হতো?'

Advertisement

একদম শেষে কৌস্তভ দাবি করেন, ৪ তারিখের পর দলই তাঁদের বেঁধে রেখেছে। নইলে ২ ঘণ্টা সময় পেলেই সব তৃণমূলের 'ঘাস-শিকর' কিচ্ছু থাকত না। দল সৌজন্য দেখানোর ফলেই তেমন কিছু ঘটেনি বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। 
 

 

POST A COMMENT
Advertisement