সুখেন্দু-সুস্মিতা ও প্রকাশচিককে রাজ্যসভার প্রার্থী করল BJP, বিকেলেই যোগ দিয়েছিলেন পদ্মে

প্রসঙ্গত, রাজ্যে ক্ষমতা বদলের আগে তিনজনই পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই সাংসদ পদ ছেড়েছিলেন সুখেন্দু। তারপর সুস্মিতাও পদ ও দল ছেড়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে দেখা করেছিলেন।

Advertisement
সুখেন্দু-সুস্মিতা ও প্রকাশচিককে রাজ্যসভার প্রার্থী করল BJP,  বিকেলেই যোগ দিয়েছিলেন পদ্মে   রাজ্যসভায় উপনির্বাচনে লড়বেন তিনজনই
হাইলাইটস
  • রাজ্যে ক্ষমতা বদলের আগে তিনজনই পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন
  • বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই সাংসদ পদ ছেড়েছিলেন সুখেন্দু

জল্পনার অবসান। বিজেপির রাজ্যসভার উপনির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশচিক বরাইক। আজ বিকেলেই তাঁরা গেরুয়া শিবিরের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর হাত থেকে দলীয় পতাকা হাতে নিয়েছিলেন। তার কয়েক ঘণ্টা পরই নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহর দল জানিয়ে দিল, তৃণমূলের ওই প্রাক্তন সাংসদরা তাঁদের টিকিটে রাজ্যসভা থেকে ভোটে লড়বেন। 

প্রসঙ্গত, রাজ্যে ক্ষমতা বদলের আগে তিনজনই পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই সাংসদ পদ ছেড়েছিলেন সুখেন্দু। তারপর সুস্মিতাও পদ ও দল ছেড়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। আলিপুরদুয়ারের ভূমিপুত্র প্রকাশচিক বরাইকও সেই পদত্যাগীদের দলে নাম লিখিয়েছিলেন। আজ তিনিজনই বিজেপিতে যোগ দেন। তারপর থেকেই জল্পনা শুরু হয়ে যায়, তাহলে কি পশ্চিমবঙ্গ থেকেই তাঁদের রাজ্যসভার প্রার্থী করবে পদ্ম-শিবির? তাই সত্যি হল। 

BJP-র প্রেস বিজ্ঞপ্তি


আজ শমীক ভট্টাচার্য তিনজনকে দলে যোগ করালেও তাঁদের যে রাজ্যসভায় প্রার্থী করলেন তার ইঙ্গিত দেননি। শুধু জানিয়েছিলেন, বিজেপি সর্বভারতীয় দল। সেই কারণে তাঁদের যে কোনও দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। কেন তাঁদের দলে নিলেন? সেই প্রশ্নের উত্তর ছিল, 'তৃণমূলে থেকে বিরক্ত এই তিন সাংসদ। তৃণমূলে তাঁরা ব্যতিক্রমী। যাঁরা নিরপরাধ মানুষের সঙ্গে নিজের অধিকার চাপিয়ে দেননি। চাকরি বিক্রি করেননি, সিন্ডিকেটে অংশগ্রহণ করেননি, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে পদদলিত করেননি, দুর্নীতি করেননি, অপ্রাসঙ্গিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাসঙ্গিক করার জন্য দেওয়ালে ঘাসফুল এঁকেছিলেন তাঁদের কাছে অনুরোধ করেছিলাম পশ্চিমবঙ্গ থেকে ওই সরকারকে সরিয়ে দিন। প্রত্যেকের একটি অতীত আছে। এই মুহূর্তে সুখেন্দু শেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইকের একমাত্র পরিচয় তাঁরা বিজেপি কর্মী। তাদের নামের সামনে দলত্যাগী লিখবেন না।' 

এদিকে সুখেন্দুশেখর বিজেপিতে যোগ দিয়ে বলেন, ''মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ। তাঁর দলও শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই এ নিয়ে আর আলোচনা করে কোনও লাভ নেই। অন্য রাজ্যগুলিতে সাধারণত শাসক ও বিরোধী দল উন্নয়ন, অগ্রগতি বা নির্দিষ্ট প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য একসঙ্গে কেন্দ্রের কাছে যায়। কিন্তু এখানে আমরা বরাবরই বন্‌ধ, ধর্মঘট ও মিছিলের মাধ্যমে কেন্দ্রের বিরোধিতা করাকেই প্রধান লক্ষ্য করেছি। এর ফলে বাংলার তিন প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যাঁদের সুযোগ ছিল, তাঁরা রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছেন।' 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement