সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ ও জনবিন্যাস বদলের অভিযোগ, রাজ্য সরকারকে নিশানা BJP-র

ভোটের মুখে একাধিক ইস্যুতে শাসক-বিরোধী সংঘাত জোরদার হচ্ছে। মঙ্গলবার রাজ্য সরকার ও শাসক দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে বিজেপি। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  রাজনীতি শুধু রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা রাজ্যের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে।

Advertisement
সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ ও জনবিন্যাস বদলের অভিযোগ, রাজ্য সরকারকে নিশানা BJP-রশমীক ভট্টাচার্য।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • ভোটের মুখে একাধিক ইস্যুতে শাসক-বিরোধী সংঘাত জোরদার হচ্ছে। মঙ্গলবার রাজ্য সরকার ও শাসক দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে বিজেপি।
  • রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  রাজনীতি শুধু রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা রাজ্যের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে।

ভোটের মুখে একাধিক ইস্যুতে শাসক-বিরোধী সংঘাত জোরদার হচ্ছে। মঙ্গলবার রাজ্য সরকার ও শাসক দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে বিজেপি। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  রাজনীতি শুধু রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা রাজ্যের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। বিজেপির অভিযোগ, তোষণমূলক নীতির মাধ্যমে রাজ্যের সামাজিক সংহতি দুর্বল করার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা চলছে।

বিজেপির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার এক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। বিজেপির মতে, প্রকৃত উন্নয়ন বা ক্ষমতায়নের বদলে তাঁদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। দলের অভিযোগ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আর্থিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সমাজের প্রকৃত অগ্রগতি ঘটাতে সরকার পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেয়নি।

শমীকের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনে বহু মানুষ মৌলিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যে শিক্ষাব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের সুযোগে বৈষম্য স্পষ্ট, এবং সাধারণ মানুষের উন্নয়ন না ঘটিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

বিজেপির আরও অভিযোগ, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ ও জনসংখ্যার ভারসাম্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। দলের দাবি, এ বিষয়ে রাজ্য সরকার যথেষ্ট কঠোর পদক্ষেপ নেয়নি। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত উদ্যোগ যেমন Citizenship Amendment Act (CAA) এবং National Register of Citizens (NRC) নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরোধিতার কথাও তুলে ধরেছে বিজেপি।

বিজেপির বক্তব্য, এই সমস্ত ইস্যু এখন কেবল রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় নয়, বরং রাজ্যের ভবিষ্যৎ, সংস্কৃতি ও নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত একটি বড় প্রশ্ন। তাদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য ও সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য তারা রাজনৈতিকভাবে লড়াই চালিয়ে যাবে এবং উন্নয়নমুখী একটি রাজ্য গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement