বিজেপি কর্মীকে মারধরআর কয়েক মাস পরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই চড়তে শুরু করেছে রাজনৈতিক পারদ। কোথাও কোথাও ঘটে যাচ্ছে সংঘর্ষের মতো ঘটনাও। এবার আরও এক সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনাস্থল বীরভূমের বোলপুরের কঙ্কালীতলা। বোলপুরে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ। এই ঘটনায় গুরুতর আহত বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলার আইটি সেলের ইনচার্জ ষষ্ঠীচরণ দে।
বোলপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি IT সেলের ইনচার্জ ষষ্ঠীচরণ দে-র উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। লাঠি-বাঁশ দিয়ে মারধর, মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ সামনে উঠে এসেছে। হামলার ঘটনাটি ঘটেছে নানুর বিধানসভার কঙ্কালীতলা এলাকায়। 'পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী। ১৮ তারিখ লাভপুরে বিরোধী দলনেতার জনসভায় পতাকা বাঁধায় হামলা', অভিযোগ, বোলপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি আইটি সেলের ইনচার্জ ষষ্ঠীচরণ দে-র। অভিযোগ, দিনের আলোয় পরিকল্পিতভাবে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি। তাঁকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে।
জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীর সভার জন্য পতাকা টাঙানোয় বিজেপির আইটি সেল ইনচার্জকে বেধড়ক মারধর করা হয়। মারধরের জেরে রক্তাক্ত হন ষষ্ঠীচরণ। তাঁকে উদ্ধার করে বোলপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি জানিয়ে শান্তিনিকেতন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত ষষ্ঠীচরণ দে। তাঁর অভিযোগ, গতকাল বিকেলে তিনি কঙ্কালীতলা এলাকায় ছিলেন। সেই সময় পরিকল্পিতভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতকারীরা সেখানে এসে তাঁর উপর চড়াও হয়। হনুমান টুপি পরে দুষ্কৃতীরা তাঁর উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার পেছনে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে। বীরভূম জেলা পুলিশের কাছে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছে বিজেপি। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও যোগ নেই।
রিপোর্টার- শান্তনু হাজরা