প্রতীকী ছবি
BJP কর্মীর উপর হামলার অভিযোগে উত্তাল বাঁকুড়ার মেজিয়া থানার তারাপুর গ্রাম। অভিযোগ, বাড়ির অদূরে BJP কর্মী শ্যামল গোপকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করে তৃণমূল আশ্রিত একদল দুস্কৃতী। বাধা দিতে গেলে তাঁর স্ত্রী আন্না গোপকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে প্রাণে মারার চেষ্টা হয় বলেও অভিযোগ। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শ্যামল গোপকে উদ্ধার করে রাতেই বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। ঘটনায় আক্রান্তের বাড়িতে গিয়ে দোষীদের শাস্তির দাবিতে সরব হন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি।
স্থানীয় সূত্রে খবর, অন্যান্য দিনের মতো ঘটনার দিনও বাঁকুড়ার তারাপুর গ্রামের BJP কর্মী শ্যামল গোপ রাতে বাড়ির অদূরে থাকা মন্দিরের দিকে যাচ্ছিলেন। সেইসময় তৃণমূল পরিচালিত মেজিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিশ্বজিৎ গোপ ও মেজিয়া পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সহসভাপতি রবিলোচন গোপের নেতৃত্বে তৃণমূলের ১২ জনের একটি দুষ্কৃতীদল তাঁর উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। রাস্তায় ফেলে কিল, চড়, ঘুঁসি মারার পাশাপাশি লাঠি ও রড দিয়েও বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে। চিৎকার শুনে শ্যামল গোপের স্ত্রী আন্না ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে তাঁর গলায় ফাঁস লাগিয়ে প্রাণে মারার চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। স্থানীয়রাই আহত শ্যামল গোপকে উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়।
এদিকে খবর পেয়ে আক্রান্ত ওই BJP কর্মীর বাড়িতে পৌঁছন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি। বিধায়কের দাবি BJP করার অভিযোগেই শ্যামল গোপের উপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি।
রিপোর্টার: নির্ভীক চৌধুরী