BLO Protest: শুক্রে সতর্ক করেছিল EC, শনিতে পুলিশের সামনেই CEO-র গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ তৃণমূলপন্থী BLO-দের

CEO দফতরের সামনে তুমুল বিক্ষোভ। বিরাট সংখ্যক তৃণমূলপন্থী সংগঠনের বিএলও সদস্যরা জমায়েত করে। রাস্তায় শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। শনিবার বিকেলে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত ও আরও ১২ জন ইলেক্টোরাল পর্যবেক্ষকদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। অশান্তির সূত্রপাত, এই সময়ে কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে BLO-রা দেখা করতে চাওয়া নিয়ে। 

Advertisement
শুক্রে সতর্ক করেছিল EC, শনিতে পুলিশের সামনেই CEO-র গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ তৃণমূলপন্থী BLO-দেরBLO-দের CEO অফিস ঘেরাও

CEO দফতরের সামনে তুমুল বিক্ষোভ। বিরাট সংখ্যক তৃণমূলপন্থী সংগঠনের বিএলও সদস্যরা জমায়েত করে। রাস্তায় শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। শনিবার বিকেলে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত ও আরও ১২ জন ইলেক্টোরাল পর্যবেক্ষকদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। অশান্তির সূত্রপাত, এই সময়ে কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে BLO-রা দেখা করতে চাওয়া নিয়ে। 

শুক্রবার কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতরকে উপযুক্ত এবং নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তর করতে হবে, এই দাবিতে চিঠি দেওয়া হয়। বর্তমান দফতর এবং নতুন দফতর, দুই জায়গাতেই সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে বলে কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মাকে জানিয়েছিল কমিশন। এরই মধ্যএ আজ পুলিশের সামনেই CEO দফতরের সামনে বসে বিক্ষোভ দেখাল BLO-রা। অবস্থানে বসলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। গত ২৪ নভেম্বরই বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলপন্থী সংগঠনের বিএলও সদস্যরা। পাঁচদিন পর একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল।

রাজ্যে একের পর এক BLO-র মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কিছু পরিবারের লোক আসেন CEO-র সঙ্গে দেখা করতে, কিন্তু দেখা না হওয়ায় অশান্তি শুরু হয়। কমিশনের অফিসে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ। এরপর পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় BLO অধিকার রক্ষা মঞ্চের সদস্যদের সঙ্গে। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। প্রবল চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দাবিও জানান।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার ফের এক BLO-র মৃত্যু হয় পশ্চিমবঙ্গে। মুর্শিদাবাদে জাকির হোসেন পেশায় শিক্ষক। মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম এলাকার ঝিল্লী অঞ্চলের ১৪ নম্বর বুথের BLO হিসেবে কাজ করছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, বৃহস্পিতবার আচমকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হন জাকির। পরিবারের লোকজন দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

পরিবারের অভিযোগ, একটানা SIR-এর কাজ করছিলেন জাকির হোসেন। মানসিক চাপ সামলাতে পারছিলেন না। দিঘা প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন তিনি। বাড়তি দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছিলেন। মানসিক ও শারীরিক চাপ বাড়ছিল। 

Advertisement

কাজের চাপে একের পর এক BLO-র অসুস্থ হয়ে যাওয়া এবং মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। এসবের বিরোধিতায় আজ BLO-দের অধিকাংশ পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বাধা দিলে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। 

POST A COMMENT
Advertisement