Kakdwip Trawler Accident: বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার ৯ মৎস্যজীবী, বাকি ৬ জনের হদিশ নেই

বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ থাকা ট্রলারের অবশেষে খোঁজ মিলল। সেখান থেকে উদ্ধার ৯ জনের দেহ। বাকি ৬ জনের হদিশ নেই।

Advertisement
বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার ৯ মৎস্যজীবী, বাকি ৬ জনের হদিশ নেইট্রলার থেকে উদ্ধার মৃতদেহ
হাইলাইটস
  • বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ থাকা ট্রলারের অবশেষে খোঁজ মিলল
  • সেখান থেকে উদ্ধার ৯ জনের দেহ
  • বাকি ৬ জনের হদিশ নেই

অবশেষে খোঁজ মিলল বঙ্গোপসাগরে উধাও ট্রলার 'এফবি মা কালীর'। রবিবার দুপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোবর্ধনপুর থানার পুলিশ, বন দফতর এবং ভারতীয় উপকূলরক্ষা বাহিনী (কোস্ট গার্ড) রক্তচড়া এলাকার কাছে ডুবে থাকা ট্রলারটির সন্ধান পায়। এরপর ট্রলারটিকে উদ্ধার করে গোবর্ধনপুরের সীতারামপুরে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই রাতভর উদ্ধার অভিযান চলে। তাতে ট্রলারের ভেতর থেকে ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করা হয়। আর এই খবরেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে মৎস্যজীবীদের পরিবারে। 

পুলিশ সূত্রে খবর, 'এফবি মা কালী' নামে ট্রলারটি চলতি মাসের শুরুতে পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুর ফিশিং হারবার থেকে মাছ ধরতে সমুদ্রে গিয়েছিল। কিন্তু তখন সমুদ্রে খারাপ ছিল আবহাওয়া। যার ফলে নিঁখোজ হয়ে যায় ট্রলার। শুরু হয় খোঁজ। কিন্তু কিছুতেই ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

এই ট্রলারটিতে মোট ১৫ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে এখনও নিখোঁজ ৬ জন। নিখোঁজদের খোঁজে সোমবারও পুলিশ, বন দফতর এবং ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী মিলতভাবে সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান চালাবে বলে খবর মিলছে। যদিও প্রশাসনের আশঙ্কা, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

তবে ইতিমধ্যেই উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। তারপরই পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। 

বাংলারই ১২ জন নিখোঁজ
গত ২ জুলাই শঙ্করপুর থেকে গভীর সমুদ্রের দিকে পাড়ি দেয় এই ট্রলার। উদ্দেশ্য ছিল মাছ ধরা। কিন্তু নিম্নচাপের জেরে উত্তাল সমুদ্রে হঠাৎ করেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ট্রলারটির সঙ্গে। তখন থেকেই নিখোঁজ হয়ে যান ১৫ জন মৎস্যজীবী। আর তাঁদের মধ্যে ১২ বাংলার। ৩ জন ওড়িশার। 

ট্রলার নিখোঁজ হওয়ার পরই দিঘা ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন বিষয়টি দিঘা ও মন্দারমণি মেরিন পুলিশকে জানায়। এরপরই শুরু হয় তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান।

সেই সময় শঙ্করপুর ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক স্বদেশ নায়ক সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাঁরা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এরপরই জোর কদমে শুরু হয়ে যায় উদ্ধার অভিযান। আর তাতে ইতিমধ্যেই ৯ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখন দেখার পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়। 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement