বাংলাদেশি রুখতে বর্ডারে সাপ-কুমির, BSF-এর প্ল্যান বাস্তবে আদৌ সম্ভব? বনদফতরের কর্মী যা জানালেন

পূর্ব ভারতে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ও  সীমান্ত সুরক্ষিত করতে সামনে এসেছে BSF-এর নয়া পরিকল্পনার। এই প্ল্যানিংয়ের আওতায় সীমান্তের নদী ও জলাভূমি এলাকায় অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সাপ ও কুমিরের মতো প্রাকৃতিক বাধা ব্যবহার করতে চাইছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। কিন্তু আদৌ কি সেটা করা সম্ভব?

Advertisement
বাংলাদেশি রুখতে বর্ডারে সাপ-কুমির, BSF-এর প্ল্যান বাস্তবে আদৌ সম্ভব? বনদফতরের কর্মী যা জানালেনবর্ডারে সাপ-কুমির ছাড়বে BSF
হাইলাইটস
  • সাপ কি কখনও পোষ মানে?
  • বর্ডারে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে BSF-র সাপ, কুমির ছাড়ার প্ল্যান।
  • কী বলছেন বনদফতরের কর্মী?

পূর্ব ভারতে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ও  সীমান্ত সুরক্ষিত করতে সামনে এসেছে BSF-এর নয়া পরিকল্পনার। এই প্ল্যানিংয়ের আওতায় সীমান্তের নদী ও জলাভূমি এলাকায় অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সাপ ও কুমিরের মতো প্রাকৃতিক বাধা ব্যবহার করতে চাইছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। কিন্তু আদৌ কি সেটা করা সম্ভব?  শিলিগুড়ির ডাবগ্রামের বনদফরের এক কর্মী বিষয়টি bangla.aajtak.in-কে খোলসা করলেন

অরিথ দে নামে ওই কর্মী জানান, "সাপকে কোনও দিনই এভাবে আটকে রাখা যাবে না। কোনও জায়গা থেকে নিয়ে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সাপ ছাড়লে, আদৌ সেই সাপ সেখানেই থাকবে কিনা, তা বলা যায় না। তবে কুমিরকে যদি সঠিক পরিবেশ ও পর্যাপ্ত খাবার দেওয়া হয়, তাহলে কুমির থাকতে পারে। বদ্ধ জায়গা থাকলে অবশ্যই কুমির থাকতে পারে।"

এছাড়াও তিনি বলেন, "সব পরিবেশে সব সাপ রাখা যায় না। গাছের সাপকে গাছেই রাখতে হবে। জলে ছাড়লে থাকবে না। আমাদের এখানে জলে যেসব সাপ দেখা যায়, তা হল জলঢোরা। এই সাপের বিষ নেই। গোখরোর মতো বিষাক্ত সাপ জলে থাকে না, তারা খড়-বিচালির মধ্যে থাকে। ফলে গোখরোর মতো সাপ যদি ছাড়া হয়, তাহলে সেই সাপ জলা এলাকায় থাকবে না।"

বাস্তুতন্ত্রে চাপ বাড়তে পারে

এছাড়াও, অনেক সাপ যদি বাইরে থেকে এনে এক এলাকায় ছাড়া হয়, তাও বাস্তুতন্ত্রের সমস্যা তৈরি করতে পারে। যেমন কোনও একটি এলাকায় সাপের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেলে, সেখানে ইঁদুর কমে যেতে পারে। ফলে সাপের খাবার কমে যেতে পারে। একটি সাপ সাধারণত ১০০ মিটারের মধ্যে ঘোরে। জায়গা যদি সংকীর্ণ হয় তাহলে বাস্তুতন্ত্রের উপর চাপ বাড়ে পারে।

 

POST A COMMENT
Advertisement