এসআইআর নিয়ে সংঘর্ষSIR শুনানিতে ৭ নম্বর ফর্ম জমা নেওয়াকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের অফিস চত্বরে। তৃণমূল ও বিজেপির স্লোগান পাল্টা স্লোগানে উত্তেজনার পারদ বাড়তেই ঘটনাস্থলে চলে আসে বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। কিন্তু উত্তেজনা এতটাই বেড়ে যায় যে পুলিশের সঙ্গেই ধস্তাধস্তি থেকে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বিজেপির অভিযোগ, ৭ নম্বর ফর্ম জমা নিচ্ছেন না বর্ধমান উত্তরের মহকুমা শাসক রাজর্ষি নাথ। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়, বিজেপি কর্মী সমর্থকরা মহকুমা শাসকের দপ্তরে শুনানি চলার সময় অশান্তি করার চেষ্টা করেছে। বিঘ্নিত হয়েছে শুনানি প্রক্রিয়া।
পুলিশ প্রথমে দুপক্ষকেই বুঝিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও বিজেপির পক্ষ থেকে উত্তেজিত কয়েকজন কর্মী পুলিশের সঙ্গে বাদানুবাদ শুরু করে দেয়। এমনকি কর্তব্যরত পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। পুলিশ কর্মীদের গায়ে হাত তোলার অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে। বিজেপির দাবি, পুলিশ মহিলা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে। ধস্তাধস্তির সময় পুলিশ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। এ বিষয়ে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করেছেন বিজেপি যুব নেতা শান্তরূপ দে। তিনি বলেন, সব ফুটেজ আমাদের কাছে আছে। তৃণমূল কর্মীরা যাতে হামলা করতে পারে তার ব্যবস্থা করে দিয়েছে পুলিশ। আইসি, ডিএসপির উপস্থিতিতে বিজেপি কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হল। কিন্তু তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করা হল।
অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, তৃণমূল স্লোগান দেয়নি। বিজেপির স্লোগানের পাল্টা স্লোগান দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। গোটা ঘটনায় পুলিশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থককে আটক করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুপক্ষকেই এলাকা থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে বিশাল র্যাফ বাহিনী মোতায়েন করা হয় জেলাশাসকের অফিস চত্বরে।
রিপোর্টারঃ সুজাতা মেহেরা