Suvendu Adhikari Chorebagan Sarbojanin: 'আগের কোনও CM ২৫ লক্ষ ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন?' চোরবাগানে মৃতের পরিবারের পাশে শুভেন্দু

নবমী ও দশমীর দিন চোরবাগানে নিহতের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর্থিক সাহায্যের ২৫ লক্ষ টাকা তুলে দেন বেজ পরিবারের সদস্যদের হাতে। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, 'আগের কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেছেন এমন কোনও ঘটনায় ২৫ লক্ষ টাকা দিতে?'

Advertisement
'আগের কোনও CM ২৫ লক্ষ ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন?' চোরবাগানে মৃতের পরিবারের পাশে শুভেন্দুচোরবাগানে নিহতের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শুভেন্দুর
হাইলাইটস
  • 'কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেছেন ২৫ লক্ষ টাকা দিতে?'
  • চোরবাগানে নিহতের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ
  • সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য

কথা দিয়েছিলেন, নবমী ও দশমীর দিন চোরবাগানে নিহত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সেই মতো মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহিতে কল্পনা ও সন্দীপ বেজের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। ১৪ বছরের সন্দীপ ও তাঁর বা কল্পনার মৃত্যু হল চোরবাগানের প্যান্ডেলে পদপিষ্ট হয়ে। 

শুভেন্দু অধিকারী এদিন আর্থিক সাহায্যের ২৫ লক্ষ টাকা তুলে দেন বেজ পরিবারের সদস্যদের হাতে। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, 'আগের কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেছেন এমন কোনও ঘটনায় ২৫ লক্ষ টাকা দিতে?' বিগত সরকারের তীব্র সমালোচনা করতে এদিন শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীকে। 

তিনি বলেন, 'কর্তব্য পালন করতে এসেছি। আপনাদের স্মরণে আছে নাকি, এরকম কোনও ঘটনার পর কোনও মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন? এর আগে শতাধিক কেস রয়েছে, যারা ভিক্টম পরিবার তাদেরই হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে বিচার চাইতে হয়েছে। আমরা নিজেরাই নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেছি। কলকাতা পুলিশ এবং পুরসভা, যারা এই পুজোর অনুমোদন দিয়েছিল, তাদের এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় রাখাই হচ্ছে না।'

শুভেন্দু আরও বলেন, 'এরকম শুনেছেন নাকি কখনও ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ সরকার দিয়েছে? ২০২৫ সালেরও পুজোর সময়ে ২টো বড় দুর্ঘটনা ঘটেছিল। কলকাতায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১৩ জন মারা গিয়েছিল। লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন শতাধিক লোক ভেসে গিয়েছিল হড়পা বানে নাগরাকাটা। তারপরও তো কার্নিভ্যাল হয়েছিল। মানুষ আগের সঙ্গে বর্তমানের তফাৎ করতে পারছে। আগের মুখ্যমন্ত্রীর মতো ছোট্ট ঘটনা বলব না। এর আগেও পানিহাটিতে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেছিল। রামরাজাতলায় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছিল। যে কোনও ঘটনা থেকেই শিক্ষা নিতে হয়। তবে আমরা ধর্মীয় কাজ করেছি। অষ্টমীর অঞ্জলি দিয়েছি, নবরাত্রির পুজোও দিয়েছি, দশেরার রাবন বধেও যাব। কিন্তু আনন্দ অনুষ্ঠান থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করছি। কারণ এই পরিবারগুলোও আমার আত্মীয়।'
 

 

POST A COMMENT
Advertisement