CM Suvendu Adhikari: আমি তো গ্রামেরই লোক, ৮৬ সালের পর বন্যা কবলিত এলাকায় প্রথম কোনও CM এল : শুভেন্দু

বন্যার গ্রাসে পড়া গ্রামের পর গ্রাম আকাশপথে পরিদর্শন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সবংয়ে রিভিউ মিটিং করেন। একইসঙ্গে বলেন, 'আগের মুখ্যমন্ত্রীরা গ্রামের মানুষকে মানুষ বলে মনে করতেন না।'

Advertisement
আমি তো গ্রামেরই লোক, ৮৬ সালের পর বন্যা কবলিত এলাকায় প্রথম কোনও CM এল : শুভেন্দুমুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
হাইলাইটস
  • গ্রামের পর গ্রাম বন্যার কবলে
  • আকাশপথে পরিদর্শন করলেন শুভেন্দু
  • ১৯৮৬ সাবে জ্যোতি বসুর পর এই বন্যা কবলিত এলাকায় কোনও মুখ্যমন্ত্রী

নাগাড়ে চলা বৃষ্টিতে  পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, হুগলি সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি। কতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে এলাকাগুলি তা আকাশপথে বৃহস্পতিবার খতিয়ে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং। সেখানে তিনি রিভিউ মিটিং করেন জেলাশাসক এবং জেলার সমস্ত বিধায়কের সঙ্গে। প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন প্রশাসনকে। সঙ্গে এ-ও বলেন, '১৯৮৬ সালে শেষবার জ্যোতিবাবু এসেছিলেন এখানে, গ্রামবাসীরা নিজেরাই আমাকে জানাচ্ছে। তারপর এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী পরিদর্শনে এল।'

মুখ্যমন্ত্রী আকাশপথে এদিন পশ্চিম মেদিনীপুরের ৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি জানিয়েছেন, ৩ হাজার ২০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রত্যেকটি বাড়ি পুনরায় নির্মাণে ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। এছাড়াও চাষের জমি নষ্ট হওয়ার ফলে যে সমস্ত চাষী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁরা এদিন থেকেই আবেদন করতে পারবেন প্রধানমন্ত্রী শস্য বিমা যোজনায়। 

ক্ষয়ক্ষতির হিসেব দিতে গিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, পিংলা, সবং, নারায়নগড়ে ১০টা সাপে কামড়ের কেস এসেছিল। প্রত্যেককে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি আরও জানান, কেলেঘাই নদীর জল বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছিল কিন্তু এখন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি DVC যদি অতিরিক্ত জল ছাড়ে, সেক্ষেত্রে রিভিউ করবেন পুনরায়।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'আগের মুখ্যমন্ত্রীরা গ্রামের মানুষকে মানুষ বলে মনে করতেন না। গ্রামের সঙ্গে তো আমার নাড়ির টান। গ্রামই আমার শুরু, গ্রামই আমার শেষ। সুতরাং আমি তো আসবই। রাজেশ মাহাতো, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রীকে রেখে গেলাম এখানে। উনি আরও ২দিন থাকবেন, সবাইকে বাড়ি না পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত। কারণ ৫০ হাজার লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই বন্যা পরিস্থিতিতে। এখনও ক্যাম্পে ৪-৫ হাজার লোক রয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যাকে যা বলার বলে দিয়েছি।' 

সবংয়ের পর তিনি আরামবাগে হুগলির বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনেও যাবেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement