ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার কাজ শুরু, স্বস্তিতে কোচবিহারের সীমান্তবাসী

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন কোচবিহারের সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে অনুপ্রবেশ, গবাদি পশু চুরি এবং দুষ্কৃতীদের উৎপাতের অভিযোগে জর্জরিত এই এলাকার মানুষ এখন স্থায়ী সমাধানের আশা দেখছেন।

Advertisement
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার কাজ শুরু, স্বস্তিতে কোচবিহারের সীমান্তবাসী
হাইলাইটস
  • ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন কোচবিহারের সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা।
  • দীর্ঘদিন ধরে অনুপ্রবেশ, গবাদি পশু চুরি এবং দুষ্কৃতীদের উৎপাতের অভিযোগে জর্জরিত এই এলাকার মানুষ এখন স্থায়ী সমাধানের আশা দেখছেন।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন কোচবিহারের সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে অনুপ্রবেশ, গবাদি পশু চুরি এবং দুষ্কৃতীদের উৎপাতের অভিযোগে জর্জরিত এই এলাকার মানুষ এখন স্থায়ী সমাধানের আশা দেখছেন।

কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের কুচলিবাড়ি সীমান্তের কাছে অবস্থিত উত্তর আন্দারান গ্রামটি তিন বিঘা করিডরের সংলগ্ন এলাকায়। গ্রামটির চারপাশে বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার অঙ্গরপোতা-দহগ্রাম অঞ্চল থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল স্থানীয়দের মধ্যে। সীমান্তে পর্যাপ্ত বেড়া না থাকায় সন্ধ্যার পর থেকেই বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের আনাগোনার অভিযোগ উঠত।

স্থানীয়দের দাবি, অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা গ্রামে ঢুকে গবাদি পশু চুরি করে নিয়ে যেত। বহুবার বিএসএফের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযুক্তদের ধরা সম্ভব হয়নি। এ নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে একাধিকবার পতাকা বৈঠকও হয়েছে।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রামবাসীদেরই রাত জেগে পাহারা দিতে হতো। কৃষিকাজের পর ক্লান্ত শরীরে বাড়ি ফিরেও অনেককে রাতভর টহল দিতে হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু চুরি নয়, সীমান্ত পাহারায় থাকা গ্রামবাসীদের উপর হামলা ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে অতীতে।

এখন পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে বলে দাবি করছেন এলাকার বাসিন্দারা। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য জমি চিহ্নিতকরণ ও মাপজোকের কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে দ্রুত কাজ সম্পূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

স্থানীয়দের বক্তব্য, সীমান্তে বেড়া তৈরি হয়ে গেলে অনুপ্রবেশ ও চুরির ঘটনা অনেকটাই কমবে এবং দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাহীনতা থেকে মুক্তি মিলবে। গ্রামবাসীরা আশা করছেন, কাঁটাতারের বেড়ার কাজ সম্পূর্ণ হলে সীমান্তবর্তী এই এলাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরবে।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement