Rejinagar by-election 2026: 'কাউন্টিং সেট করা আছে...', রেজিনগরে BJP এগিয়ে থাকতেই দাবি কংগ্রেসের

'কাউন্টিং সেট করা আছে। মানে কংগ্রেস ৪০। ওরা ৪০০। ৫০-৫০০। ৫২-৫২০। প্রত্যেকটা ইভিএম খুললেই এমন দেখা যাচ্ছে। এত তাড়াতাড়ি কিছু বলা যায় না। ভোটটা যে রিগিং করা হয়েছে, সেটা বোঝা যাচ্ছে।' এমনই অভিযোগ করলেন রেজিনগর উপনির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থী মহম্মদ আবদুল্লাহি কাফি। ঠিক তাঁর সুরে সুর মিলিয়েই ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। তাঁর মতে, আর নতুন করে বলার কিছু নেই। মানুষের কাছে সবটা পরিষ্কার।

Advertisement
'কাউন্টিং সেট করা আছে...', রেজিনগরে BJP এগিয়ে থাকতেই দাবি কংগ্রেসেররেজিনগর উপনির্বাচন ২০২৬
হাইলাইটস
  • কাউন্টিং সেট করা আছে।
  • প্রত্যেকটা ইভিএম খুললেই এমন দেখা যাচ্ছে
  • এত তাড়াতাড়ি কিছু বলা যায় না

'কাউন্টিং সেট করা আছে। মানে কংগ্রেস ৪০। ওরা ৪০০। ৫০-৫০০। ৫২-৫২০। প্রত্যেকটা ইভিএম খুললেই এমন দেখা যাচ্ছে। এত তাড়াতাড়ি কিছু বলা যায় না। ভোটটা যে রিগিং করা হয়েছে, সেটা বোঝা যাচ্ছে।' এমনই অভিযোগ করলেন রেজিনগর উপনির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থী মহম্মদ আবদুল্লাহি কাফি। ঠিক তাঁর সুরে সুর মিলিয়েই ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। তাঁর মতে, আর নতুন করে বলার কিছু নেই। মানুষের কাছে সবটা পরিষ্কার।

আসলে ৭০ শতাংশ মুসলিম ভোট রয়েছে রেজিনগরে। কয়েক মাস আগেই বিধানসভা নির্বাচনে এখান থেকে জিতেছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। মাত্র ৫ মাসেই পুরো বদলে গেল চিত্র। প্রাথমিক ট্রেন্ড যেদিকে যাচ্ছে, তাতে রেজিনগরে এখনও  বিপুল ভোটে জিততে পারে বিজেপি। প্রায় ৩০ হাজারের ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শাখরভ সরকার বলে খবর মিলছে। আর ভোটের এই ফলাফল নিয়েই আওয়াজ তুলতে শুরু করেছে কংগ্রেস ও বিজেপি। 

উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মহম্মদ আবদুল্লাহি কাফি দাবি করেন কাউন্টিং একবারে সেট করা আছে। প্রত্যেকটা ইভিএম খুললেই এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি কিছু বলা যায় না। ভোটে যে রিগিং করা হয়েছে, সেটা বোঝা যাচ্ছে।

তাঁর কথায়, 'তিনটি থানার ওসি, এসপি যদি মিটিং না করে, তাহলে এরকম হতে পারে না। সব জায়গায় একই রকম হতে পারে না।'

তাঁর আরও সংযোজন, 'প্রথম থেকেই সেটিং করা আছে। এতটা এখানে মারতে হবে। দিয়ে ১ লক্ষ ২০ হাজার ভোটে জেতাতে হবে। এটা তো চিফ মিনিস্টার বলেই দিয়েছেন।' 

ওদিকে ঋতব্রত তৃণমূল কংগ্রেসের সফিউজ্জামান শেখ বলেন, 'আজকে আর অভিযোগ করার কী আছে। অভিযোগ মানুষের কাছে স্পষ্ট। আমার মনে হয় না অভিযোগ করার আর প্রয়োজন আছে। সবার কাছে সবটা পরিষ্কার। সোশ্যাল মিডিয়ার সবটা পরিষ্কার।'  

যদিও এই সব অভিযোগ মানতে নারাজ বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। তিনি বলেন, 'সংখ্যালঘু, সংখ্যাগুরু, এ সব কথা বলবেন না। এসব শুনে বাংলার মানুষ ক্লান্ত হয়ে গিয়েছে। বাংলায় এখন একটাই ক্যাসেট বাজবে, এখানে উন্নয়ন চাই, রেজিনগরে কলেজ চাই, শিল্প চাই। সংখ্যালঘু মানুষরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান। যখন কংগ্রেসের সরকার ছিল, তখন তাঁরা কংগ্রেসের সঙ্গে ছিলেন। পরবর্তীকালে যখন বামেরা ক্ষমতায় এল, তখন তাঁরা বামেদের সঙ্গে ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সময়ে সংখ্যালঘুরা সবাই তৃণমূল কংগ্রেসকে একচেটিয়া ভোট দিয়েছেন। এখন শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সংখ্যালঘুরা নিজেদের উন্নয়নের স্বার্থে হৈ হৈ করে সবাই বিজেপি-কে ভোট দিয়েছেন।'

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement