Bhangar News: ভাঙারে উদ্ধার ২৬টি তাজা বোমা! 'টাকা ছড়াচ্ছেন ISF বিধায়ক,' দাবি সওকত মোল্লার

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর থেকেই ক্রমেই বাড়ছে রাজ্য রাজনীতির উত্তাপ। শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি SIR-এর (Special Intensive Revision) চূড়ান্ত তালিকা সামনে আসতেই একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ছে নির্বাচন কমিশনের দফতরে।

Advertisement
ভাঙারে উদ্ধার ২৬টি তাজা বোমা! 'টাকা ছড়াচ্ছেন ISF বিধায়ক,' দাবি সওকত মোল্লারবম্ব স্কোয়াড এসে বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করে।
হাইলাইটস
  • দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙারের(Bhangar) বিজয়গঞ্জ থানার কৃষ্ণমাটি এলাকা থেকে উদ্ধার হল ২৬টি তাজা বোমা।
  • পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। দু'টি প্লাস্টিকের ব্যাগের ভিতরে রাখা ছিল বোমাগুলি।
  • পরে বম্ব স্কোয়াড এসে সেগুলি নিষ্ক্রিয় করে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙারের(Bhangar) বিজয়গঞ্জ থানার কৃষ্ণমাটি এলাকা থেকে উদ্ধার হল ২৬টি তাজা বোমা। পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। দু'টি প্লাস্টিকের ব্যাগের ভিতরে রাখা ছিল বোমাগুলি। পরে বম্ব স্কোয়াড এসে সেগুলি নিষ্ক্রিয় করে। ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা করেনি Election Commission of India। কিন্তু তার আগেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে উত্তেজনা বাড়ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটার তালিকা ঘিরে বিতর্ক, তার সঙ্গে বোমা উদ্ধারের ঘটনা; দুই মিলিয়ে প্রশাসনের উপর চাপ বাড়ছে।

এ ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সওকাত মোল্লা অভিযোগ তুলেছেন, ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির মদতেই এলাকায় বোমা মজুত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় লক্ষাধিক টাকা বিলি করে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে। নির্বাচন আসন্ন, তাই পরিকল্পিত ভাবে ভাঙড়ের শান্ত পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার ছক কষা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।

অন্য দিকে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে Indian Secular Front (আইএসএফ)। তাদের পাল্টা দাবি, দলকে বদনাম করতে চক্রান্ত করা হচ্ছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই বোমা উদ্ধারের ঘটনার সঙ্গে আইএসএফের নাম জড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ দলের।

ভাঙড় বরাবরই রাজনৈতিক দিক থেকে স্পর্শকাতর এলাকা। বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। গত কয়েক মাসে একাধিক বার বিস্ফোরক, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। যা পুলিশ প্রশাসনের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। পাশাপাশি গোটা এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এখন প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

ভোটার তালিকা বিতর্ক, রাজনৈতিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা; সব মিলিয়ে ভোটের আগে রাজ্যের পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও বাকি। তার আগেই ভাঙড়ের এই ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলছে, আদৌ কি শান্তিপূর্ণ ভোট সম্ভব? নজর এখন প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলির পরবর্তী পদক্ষেপে। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement