দীঘার হোটেল থেকে মরণঝাঁপ। প্রতীকী ছবিদিঘার সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে এসেছিলেন সদ্যবিবাহিত দম্পতি। কিন্তু রাতে হোটেলের ঘরে দু’জনের মধ্যে ঝামেলা বেধে যায়। অভিমানে হোটেলের তিন তলা থেকে ঝাঁপ দিলেন গৃহবধূর। খবর পেয়ে গুরুতর জখম গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় দিঘা থানার পুলিশ। কী নিয়ে এই কাণ্ড ঘটল, স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইছে পুলিশ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এই তরুণী। তাঁর স্বামীকে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদের রাধা কুমারী এবং বিনোদ মিশ্রার বিয়ে হয় মাসখানেক আগে। দিঘায় হানিমুনে যান নবদম্পতি। তাঁরা নিউ দিঘার একটি হোটেলে ওঠেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত নটা নাগাদ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। বিয়ের আগে অপর এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল নববধূর। তা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়াঝাটি শুরু হয়। অশান্তির মাঝে রাধা রাগের চোটে তিনতলার বারান্দা থেকে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেন। প্রথমে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন তাঁর স্বামী। তবে শেষমেশ হাত ফসকে রাধা তিনতলা থেকে নিচে পড়ে যান।
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে রাধা জানিয়েছেন, কিছু দিন আগেই তাঁদের বিয়ে হয়েছে। স্বামী একটি কলেজে চাকরি করেন। দু’জনে দিঘায় বেড়াতে এসেছিলেন। কিছুদিন থাকার ইচ্ছে ছিল। রাতে কথা কাটাকাটি হয়েছিল বলেই রাগের মাথায় ঝাঁপ দেন তিনি। সূত্রের খবর, ওই মহিলার স্বামী পুলিশকে জানিয়েছেন, পারিবারিক কোনও বিষয় নিয়েই বুধবার রাতে দু’জনের মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিল।