Dilip Ghosh: হিরণকে সরিয়ে দিলীপ ফের খড়গপুরের প্রার্থী? যা বললেন বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট বলেন, 'আমাকে নিয়ে ভাবার দরকার নেই। আমি প্রার্থী হব কি না, সেটা দলই ঠিক করবে।'

Advertisement
হিরণকে সরিয়ে দিলীপ ফের খড়গপুরের প্রার্থী? যা বললেন বিজেপির প্রাক্তন সভাপতিদিলীপ ঘোষ।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আইনি ভাবে এখনও বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি।
  • তারমধ্যেই দ্বিতীয় বিয়ে করে তীব্র বিতর্কে জড়িয়েছেন খড়গপুরের বিজেপি বিধায়ক হিরণ চ্যাটার্জি।

প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আইনি ভাবে এখনও বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। তারমধ্যেই দ্বিতীয় বিয়ে করে তীব্র বিতর্কে জড়িয়েছেন খড়গপুরের বিজেপি বিধায়ক হিরণ চ্যাটার্জি। তাঁর দ্বিতীয় বিয়ের ছবি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনায় হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং আইনি পথে এগোনোর কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন।

এই বিতর্ক সামনে আসতেই হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়গপুরে কি আর বিজেপির প্রার্থী হবেন না হিরণ? সেই সঙ্গে বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের নাম। দলীয় সূত্রের খবর, ঘনিষ্ঠ মহলে দিলীপ ঘোষ ফের তাঁর পছন্দের খড়গপুর আসন থেকে ভোটে লড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট বলেন, 'আমাকে নিয়ে ভাবার দরকার নেই। আমি প্রার্থী হব কি না, সেটা দলই ঠিক করবে।'

এদিকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে আবার পর্যবেক্ষক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিটি বুথেই পর্যবেক্ষক প্রয়োজন। তাঁর কথায়, 'এই সরকার থাকাকালীন সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়, অন্য রাস্তা ভাবতে হবে।'

ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR) এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ প্রসঙ্গেও রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, 'সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রাজ্য সরকার মানছে না। গায়ের জোরে সবকিছু আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কেন্দ্রীয় সংস্থার হস্তক্ষেপ না হলে এখানে গণতন্ত্র থাকবে কীভাবে?'

তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিম কোর্টের রায়কে তাদের ‘নৈতিক জয়’ বলে দাবি করলেও দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, 'রায় মানতেই যদি না চায়, তা হলে আদালতের নির্দেশের মানে কী?'

বিএলও-দের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, 'বিএলও-রা সরকারি কর্মচারী। তাঁরা যদি দলীয় প্রভাবে কাজ না করেন বা দায়িত্বে অবহেলা করেন, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হতেই হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।'

Advertisement

শুনানির সময় অশান্তি রুখতে কমিশনের কড়া নির্দেশ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যজুড়ে এসআইআর ঘিরে গুন্ডামি চলছে, শুনানি হতে দেওয়া হচ্ছে না, অভিযোগপত্র জমা দিতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে।
সবশেষে বেলডাঙায় পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'গুজব ছড়িয়ে অশান্তি তৈরির চেষ্টা চলছে। নির্বাচনের আগে সরকারকে প্রভাবিত করতে এ রকম চক্রান্ত আরও বাড়বে। কিন্তু এভাবে একটা রাজ্য বা দেশ চলতে পারে না।'

সংবাদদাতা: অরিন্দম ভট্টাচার্য

 

POST A COMMENT
Advertisement