শুভেন্দু অধিকারী'একটা চিঠি আমি ডিআরডিও-এর থেকে পেয়েছিলাম। সেটার বিষয়ে কিছু বলব না। আগের মুখ্যমন্ত্রী (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। আমি ওকে করে দিয়েছি। ডিআরডিও-এর পক্ষ থেকে থেকে একটা বড় প্রোজেক্ট আসছে। সেটা জুনপুটে হবে, পূর্ব মেদিনীপুরে। এটার ডিটেলস পরে বলব। দেশের সুরক্ষার জন্য এটা বড় পদক্ষেপ।' আজ সল্টলেক সিটি সেন্টারের একটি অনুষ্ঠান থেকে এমনই সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি তিনি জানালেন, ভারত সরকার কিছু কাজ শুরু করেছে। ডিফেন্স প্রোজেক্ট আসতে শুরু করছে। পুরো দেশ থেকে ইনভেস্টর আসছে। এতে বাংলা এগিয়ে যাবে।
আম্বানিদের সঙ্গে কথা হবে
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমার সঙ্গে অনন্ত আম্বানির কথা হয়েছে। উনি আসতে চেয়েছেন। ওঁনার বাবা এবং পরিবার ইন্টারেস্টেড। উনি আমায় গণেশ পুজোয় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। গণপতি উৎসবের পর মুম্বই যাব। মুকেশজি এবং অনন্তজির সঙ্গে দেখা করব। সব বড় বিনিয়োগকারী এখানে আসতে চাইছেন।'
তিনি দাবি করেন, সব বিনিয়োগকারী এই রাষ্ট্রবাদী সরকারকে দাঁড় করাতে চাইছেন। বাংলার পাশে দাঁড়াতে চাইছেন। আর সেটাই ভাল খবর।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, 'আমরা ৪ মাসের সরকারের সময়ে বিজনেস ফ্রেন্ডলি একটা পরিবেশ তৈরি করেছি। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নানা প্রোগ্রাম করেছি।'
পৃথিবীর সবথেকে বড় ওয়ার্ডড্রব
এদিন পৃথিবীর সবথেকে বড় ওয়ার্ডড্রোব বাংলায় তৈরি হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'দুর্গাপুজোর আগে পৃথিবীর সবথেকে বড় ওয়ার্ডড্রব তৈরি হল। তাদের গিনেস বুক অ্যাওয়ার্ডও দিয়েছে। তাদের সার্টিফিকেশন আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।'
তিনি আরও জানান, এই সংস্থার বর্তমানে ১১০টা আউটেলট রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে আগামী কিছুদিনে ২৫০টি সেন্টার তৈরি করবে। আরও ১৪০টি স্টোর তৈরি হবে। ১৮ মাসের মধ্যেই এই কাজটা হবে। যার ফলে প্রচুর সরাসরি এবং পরোক্ষ চাকরি হবে। এছাড়া এই সংস্থা সোলার প্ল্যান্টের জন্য পুরুলিয়াতে জমি কিনেছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।
এই অনুষ্ঠানেই আমূল, লাক্সের বিনিয়োগের কথাও তোলেন তিনি। এছাড়া রাজ্যে বড় মাপের আইসিক্রিম প্ল্যান্ট হচ্ছে বলেও জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে এল অ্যান্ট টি ডেটা সেন্টার ও আদানির হাসপাতাল নিয়েও তিনি মুখ খোলেন।
এছাড়া তিনি জানান, ব্যবসার জন্য ৩৩ ল্যান্ড ওভার করা হচ্ছে। মন্ত্রীসভা ইতিমধ্যেই এর ছাড়পত্র দিয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই পরিষ্কার, বাংলায় বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরিতে ব্যস্ত সরকার।