Elephant Killings: মহানন্দার জঙ্গলে সেনার গুলিতে মৃত্যু ৪টি হাতির, সেনা-বন দফতর সংঘাত শুরু

চলতি মাসের মাঝামাঝি মহানন্দা অভয়ারণ্য ও সংলগ্ন জঙ্গলে ৪টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ, সেনার গুলিতে মারা গেছে হাতিগুলি। রাজ্যের বন দফতর জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর মর্টার শেলিংয়ে চারটি হাতি মারা গেছে। শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত তিস্তা ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলনের সময়  ঘটনাটি ঘটেছে। আরও তিনটি হাতি আহত অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে জানা গেছে।

Advertisement
মহানন্দার জঙ্গলে সেনার গুলিতে ৪ হাতির মৃত্যু, তীব্র 'সংঘাত'প্রতীকী ছবি।
হাইলাইটস
  • চলতি মাসের মাঝামাঝি মহানন্দা অভয়ারণ্য ও সংলগ্ন জঙ্গলে ৪টি হাতির মৃত্যু হয়েছে।
  • অভিযোগ, সেনার গুলিতে মারা গেছে হাতিগুলি।

চলতি মাসের মাঝামাঝি মহানন্দা অভয়ারণ্য ও সংলগ্ন জঙ্গলে ৪টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ, সেনার গুলিতে মারা গেছে হাতিগুলি। রাজ্যের বন দফতর জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর মর্টার শেলিংয়ে চারটি হাতি মারা গেছে। শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত তিস্তা ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলনের সময়  ঘটনাটি ঘটেছে। আরও তিনটি হাতি আহত অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে জানা গেছে।

সূত্রের খবর, ১৩মার্চ গুলি চালানো হয়েছিল। এবং ১৪ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে চারটি হাতির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। গোলাগুলির সময় একজন স্থানীয় বাসিন্দাও মারা গিয়েছি বলে অভিযোগ। তিস্তা ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জ হল উত্তর ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম সেনা ফায়ারিং রেঞ্জ এবং এটি ১৯৬০-এর দশকের শুরু থেকে চালু রয়েছে।

বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন, ময়নাতদন্ত নিশ্চিত করেছে যে স্প্লিন্টারের আঘাতের কারণে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে মহানন্দা বনাঞ্চলে চারটি হাতি মারা গেছে। আমাদের যৌথ বৈঠকের সময় সেনা কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে, হাতিগুলি তাদের শেলের জন্যই মারা গেছে। সেনাবাহিনীর গুলি চালানোর অনুশীলন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বন্যপ্রাণীও গুরুত্বপূর্ণ। আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জানিয়েছি যে সীমাবদ্ধ বনাঞ্চলে সেনাবাহিনী এমন মহড়া করতে পারবে না। বন বিভাগ ছাড়পত্র না দেওয়া পর্যন্ত আর কোনো গোলাবর্ষণ হবে না। সেনাবাহিনী স্থায়ীভাবে এলাকা থেকে প্রশিক্ষণ ঘাঁটি সরিয়ে নিলে ভালো হয়।

আরও পড়ুন-Elephants in south Bengal: অবাধ্য 'দাগি' হাতি কতগুলি? চিহ্নিত করে তাড়ানো শুরু করল বন দফতর

সেনাবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জের একটি বড় অংশ নির্ধারিত বনাঞ্চলের মধ্যে পড়ে। এই ধরনের গুলি চালানোর সময় দুর্ঘটনা এড়াতে তিন স্তরের নিরোধক ব্যবস্থা রয়েছে। এই সময় এই ধরনের ঘটনা কীভাবে ঘটল তা আশ্চর্যজনক। হাতিদের মৃত্য়ুর প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার জন্য সেনাবাহিনীও তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দারা ১৪ মার্চ বৈকুণ্ঠপুর বন বিভাগের অধীনে সরস্বতীপুর পাঁচ মাইল এলাকায় একটি হাতির মৃতদেহ খুঁজে পেয়েছিল। পরের দিন আরও দুটি হাতির দেহ মেলে। একটি তারঘেরা এলাকা থেকে এবং আরেকটি মহানন্দা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের সারুগা রেঞ্জের সেভেন মাইল এলাকা থেকে। ২২ মার্চ আরেকটি মৃত হাতির দেহ মেলে।

উল্লেখ্য, তিস্তা ফায়ারিং রেঞ্জ তিস্তা নদীর তীর ঘেঁষে প্রায় ১২-১৫ কিলোমিটার বিস্তৃত। সম্প্রতি ১৬টি বন্যপ্রাণী সংস্থা একটি সভা ডেকেছে। এবং একটি ঐকমত্যে পৌঁছেছে যে, সেনাবাহিনীকে এই গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী করিডোর এবং মাইগ্রেশন প্যাসেজ থেকে তার ফায়ারিং রেঞ্জ সরানোর জন্য অনুরোধ করা হবে। এবং যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে সেনা অনুশীলন বন্ধ করতে হবে।

আরও পড়ুন-লোকালয়ে হাতি রুখবে আপেল গাছ? পুকুর কাটছেন ১০০ দিনের কর্মীরা

    POST A COMMENT
    Advertisement