কোথাও অতিবৃষ্টি, কোথাও খরার আশঙ্কা, বর্ষা নিয়ে বৈঠক মোদীর, রাজ্যগুলিকে তৈরি থাকার নির্দেশ 

সরকারি সূত্রের মূল্যায়ন অনুযায়ী, চলতি বছরে এল নিনোর প্রভাব ভারতের বর্ষার স্বাভাবিক ছন্দে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের বণ্টনে উল্লেখযোগ্য বৈষম্য দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বৃষ্টি হতে পারে, আবার কোথাও দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

Advertisement
কোথাও অতিবৃষ্টি, কোথাও খরার আশঙ্কা, বর্ষা নিয়ে বৈঠক মোদীর, রাজ্যগুলিকে তৈরি থাকার নির্দেশ 
হাইলাইটস
  • দেশজুড়ে বর্ষার পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য আবহাওয়াজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
  • মন্ত্রিসভার বৈঠকে বর্ষার বর্তমান পরিস্থিতি এবং আগামী কয়েক মাসের সম্ভাব্য আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

দেশজুড়ে বর্ষার পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য আবহাওয়াজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মন্ত্রিসভার বৈঠকে বর্ষার বর্তমান পরিস্থিতি এবং আগামী কয়েক মাসের সম্ভাব্য আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সমস্ত মন্ত্রণালয় ও দপ্তরকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেন।

সরকারি সূত্রের মূল্যায়ন অনুযায়ী, চলতি বছরে এল নিনোর প্রভাব ভারতের বর্ষার স্বাভাবিক ছন্দে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের বণ্টনে উল্লেখযোগ্য বৈষম্য দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বৃষ্টি হতে পারে, আবার কোথাও দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের পরিস্থিতি কৃষি, জলসম্পদ, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। অতিবৃষ্টির কারণে বন্যা, ভূমিধস ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি যেমন বাড়তে পারে, তেমনই স্বল্প বৃষ্টিপাতের এলাকায় খরা, পানীয় জলের সংকট এবং কৃষিক্ষেত্রে ক্ষতির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে আগাম পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় রেখে কাজ করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ, জরুরি পরিষেবার প্রস্তুতি, ত্রাণ ও উদ্ধার ব্যবস্থা এবং কৃষি ও জলসম্পদ সংক্রান্ত পরিকল্পনা আগে থেকেই প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রের বার্তা, বর্ষার অনিশ্চিত পরিস্থিতিকে সামনে রেখে কোনও ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। আবহাওয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং প্রয়োজনে রাজ্যগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আবহাওয়াবিদরাও পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন। আগামী দিনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সরকারি সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement