Kalyan Banerjee: স্পিকারকে 'ডার্লিং' বলে বসলেন কল্যাণ, কেন? হাসির রোল সংসদে, VIRAL

'স্যার, বাইরে আপনি আমাকে ‘ডার্লিং’ বলে ডাকেন, কিন্তু এখানে সময়ই দেন না! অন্তত আমাকে একটু সময় দিন, ডার্লিং।' এই মন্তব্যে সঙ্গে সঙ্গে সংসদে হাসির রোল ওঠে। 

Advertisement
স্পিকারকে 'ডার্লিং' বলে বসলেন কল্যাণ, কেন? হাসির রোল সংসদে, VIRAL
হাইলাইটস
  • লোকসভায় বাজেট বিতর্কের মধ্যেই হাসির রোল পড়ে গেল।
  • কারণ, তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপি সাংসদ তথা প্রিসাইডিং অফিসার জগদম্বিকা পালের মধ্যে ঘটে যায় এক মজার বাক্যালাপ।

লোকসভায় বাজেট বিতর্কের মধ্যেই হাসির রোল। তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্পিকার জগদম্বিকা পালের মধ্যে ঘটে এক মজার বাক্যালাপ। বাজেট নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন কল্যাণ। পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জগদম্বিকা পাল। বক্তব্যের মাঝেই কল্যাণ এক পর্যায়ে হালকা রসিকতার সুরে বলেন, 'স্যার, বাইরে আপনি আমাকে ‘ডার্লিং’ বলে ডাকেন, কিন্তু এখানে সময়ই দেন না! অন্তত আমাকে একটু সময় দিন, ডার্লিং।' এই মন্তব্যে সঙ্গে সঙ্গে সংসদে হাসির রোল ওঠে। 

বই প্রসঙ্গে প্রশ্ন
ঘটনার সূত্রপাত হয় প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের একটি বইয়ের প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে। নাম না করেই কল্যাণ জানতে চান, বইটি আদৌ প্রকাশিত হবে কি না, এবং কবে প্রকাশিত হবে। তাঁর কথায়, 'বইটি প্রকাশিত হলে জনগণ তা পড়বে, সমালোচনা করবে, মতামত দেবে। কিন্তু সেটি আদৌ প্রকাশ পাবে কি না, সেটাই প্রশ্ন।' এই সময় স্পিকার তাঁকে বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করতে বলেন। তখনই রসিকতার ভঙ্গিতে কল্যাণের ওই মন্তব্য।

'চারজন মিলে দেশ চালাচ্ছেন'
রসিকতার পরেই অবশ্য তিনি আক্রমণাত্মক সুরে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেন। তাঁর দাবি, 'আজ চারজন মানুষ দেশ চালাচ্ছেন। দু’জন দেশের সম্পদ বিক্রি করছেন, আর দু’জন তা কিনছেন। চারজনই গুজরাটের।'

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ‘সৎমাতৃসুলভ আচরণ’-এর অভিযোগ
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে কেন্দ্র সৎমাতৃসুলভ আচরণ করছে। তিনি দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার চিঠি লিখেও কোনও সাড়া পাননি। সংসদে তিনি চিঠির ফাইল দেখিয়ে বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী একটিও চিঠির জবাব দেওয়া প্রয়োজন মনে করেননি। কোনও তহবিলও ছাড়া হয়নি।' তাঁর অভিযোগ, মনরেগা-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

করিডোর নিয়ে কৃতিত্বের দাবি
ডানকুনি থেকে গুজরাট পর্যন্ত মালবাহী করিডোরের ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই প্রকল্পের সূচনা হয়েছিল ২০০৯ সালে, যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর দাবি, 'আমরা শিলিগুড়ি করিডোরের কাজ শুরু করেছিলাম। এখন বাজেটে সেটিকেই নতুন করে ঘোষণা করা হচ্ছে। এই সরকার বাজেটে কোনও নতুন ঘোষণা করেনি।'

Advertisement

এসআইআর ও মৃত্যুর প্রসঙ্গ
তিনি এসআইআর (Special Intensive Revision) প্রসঙ্গও তোলেন। দাবি করেন, এই প্রক্রিয়ার সময় পশ্চিমবঙ্গে ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বলেন, 'আমরা সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলাম। প্রতিদিন আদালত নির্দেশ দিয়েছে। একজন ভোটারের নামও বাদ দেওয়া যায়নি।'

‘যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনবিরোধী বাজেট’
বক্তব্যের শেষে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, এই বাজেটে পশ্চিমবঙ্গ সরাসরি কোনও উপকার পাবে না। তাঁর কথায়, 'এই বাজেট যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী। মহিলাদের সুরক্ষা বা স্বাস্থ্য নিয়ে এতে উল্লেখযোগ্য কিছু নেই।'

POST A COMMENT
Advertisement