Hamim Mondal Girlfriend: নেতাদের যৌনতার ফাঁদে ফেলাই টার্গেট, জঙ্গি হামিমের 'গার্লফ্রেন্ড' অর্পিতা কীভাবে কাজ করত

বর্ধমান থেকে গ্রেফতার হামিম মণ্ডলের বান্ধবীর হদিশ মিলল ঝাড়খণ্ডে। জনৈক অর্পিতা সরকার ধরা পড়েছে STF-এর জালে। জানা যাচ্ছে, যৌনতার ফাঁদে ফেলে গুরুত্বপূর্ণ, সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাত। তারপর সেই তথ্য পৌঁছে দিত 'বয়ফ্রেন্ড' হামিমকে।

Advertisement
নেতাদের যৌনতার ফাঁদে ফেলাই টার্গেট, জঙ্গি হামিমের 'গার্লফ্রেন্ড' অর্পিতা কীভাবে কাজ করত হামিম মণ্ডল, অর্পিতা সরকার
হাইলাইটস
  • হামিম মণ্ডলের বান্ধবীর হদিশ মিলল ঝাড়খণ্ডে
  • জনৈক অর্পিতা সরকার ধরা পড়েছে STF-এর জালে
  • যৌনতার ফাঁদে ফেলে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ে হামিমকে দিত সে

একা হামিমে রক্ষে নেই, দোসর বান্ধবী অর্পিতা! জইশ জঙ্গি সন্দেহে বর্ধমান থেকে গ্রেফতার হামিম মণ্ডলের বান্ধবীর হদিশ মিলল ঝাড়খণ্ডে। শুক্রবার রাতে ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে এই অর্পিতা সরকার ধরা পড়েছে STF-এর জালে। সূত্রের খবর, হানিট্র্যাপের মাধ্যমে অপহরণ করার ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ পেত এই অর্পিতা। একটি বড়সড় চক্র রয়েছে আড়ালে, এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারীরা। 

STF সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত হামিমকে জেরা করেই তাঁর বান্ধবী অর্পিতার নাম উঠে আসে। গোটা চক্রে অর্পিতার কী কী ভূমিকা ছিল তা-ও উগরে দিয়েছে জঙ্গি সন্দেহে ধৃত এই হামিম। এরপরই রাতেই অর্পিতার খোঁজে ঝাড়খণ্ডে পৌঁছে যায় টিম। ধরাও পড়ে যায় সে। রাতেই তাকে নিয়ে আসা হয়েছে বর্ধমান থানায়। শনিবার আদালতে হাজির করা হবে। 

কী কাজ করত এই অর্পিতা?
STF সূত্রে জানা গিয়েছে, অর্পিতার মাধ্যমেই 'টোপ' দেওয়া হতো। হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদ পাতত সে। রাজনৈতিক ভাবে প্রভাবশালীরাই ছিল অর্পিতার টার্গেটে। যৌনতার ফাঁদে ফেলে তাঁদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ, সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাত। তারপর সেই তথ্য পৌঁছে দিত 'বয়ফ্রেন্ড' হামিমকে। ইতিমধ্যেই এ সব কথা জেরায় স্বীকার করেছে এই জইশ জঙ্গি সন্দেহভাজন। এবার অর্পিতাকে কাউন্টার জেরায় সমস্ত তথ্যের নিশ্চয়তা পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। 

হামিমের নিশানায় ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী?
প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, হামিমের বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার কুসুমগ্রামে। হাওড়ার পিলখানা এলাকায় একটি রেডিমেড জামাকাপড় তৈরির কারখানায় বারকোড লাগানোর কাজ করত সে। তদন্তকারীদের দাবি, আড়ালে নাশকতামূলক কার্যকলাপের সঙ্গে যোগ ছিল তার। যাতায়াত ছিল নিউটাউনেও। এমনকী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও তার টার্গেটে ছিলেন। 

সূত্রের খবর, এই হামিমকে ব্যবহার করেই পশ্চিমবঙ্গের BJP এবং RSS-এর বিভিন্ন নেতাদের খবরাখবর সংগ্রহ করার পরিকল্পনা ছিল ISI-এর। হামিমের  মোবাইল, ল্যাপটপ থেকে শুভেন্দু-সহ একাধিক রাজনীতিবিদের গতিবিধির খবর পাওয়া গিয়েছে।  শুভেন্দু যে রাস্তা ধরে নিউটাউনের ফ্ল্যাটে ফিরতেন, সেখানে রেকিও করেছিলেন হামিম। 

Advertisement

কী প্রতিক্রিয়া মুখ্যমন্ত্রীর?
এই নিয়ে তেমন ভাবে কোনও মন্তব্য করতে চাননি শুভেন্দু অধিকারী। তবে তিনি বলন, 'এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। আন্তর্জাতিক যোগ মিলেছে। জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন রয়েছে। STF তদন্ত করছে। ধৃতের মোবাইল সহ তার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে কী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।' শনিবার এই নিয়ে STF একটি সাংবাদিক বৈঠকও করবে। 

 

POST A COMMENT
Advertisement