Suvendu Adhikari on Halisahar: 'লকআপেই মারা গিয়েছে, এটা সত্য...' মৃত TMC-র কর্মীর বাড়িতে একাধিক ঘোষণা শুভেন্দুর

আজ সকালে হালিশহরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে গিয়ে 'লকআপে' মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি মেনে নেন, পুলিশি হেফাজতেই মৃত্যু হয়েছে এই তৃণমূল কর্মীর। সেই মতো পুলিশের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে 'কড়া' ব্যবস্থা। পাশাপাশি মৃতের স্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রীর অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে চাকরি দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা অর্থ সাহায্য করা হচ্ছে পরিবারকে। পাশাপাশি মৃতের ২ সন্তানের পড়াশোনার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার সাহায্য করবে বলে জানিয়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। 

Advertisement
'লকআপেই মারা গিয়েছে, এটা সত্য...' মৃত TMC-র কর্মীর বাড়িতে একাধিক ঘোষণা শুভেন্দুরশুভেন্দু অধিকারী
হাইলাইটস
  • আজ সকালে হালিশহরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
  • সেখানে গিয়ে 'লকআপে' মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি
  • সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী

আজ সকালে হালিশহরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে গিয়ে 'লকআপে' মৃত তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি মেনে নেন, পুলিশি হেফাজতেই মৃত্যু হয়েছে এই তৃণমূল কর্মীর। সেই মতো পুলিশের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে 'কড়া' ব্যবস্থা। পাশাপাশি মৃতের স্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রীর অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে চাকরি দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা অর্থ সাহায্য করা হচ্ছে পরিবারকে। পাশাপাশি মৃতের ২ সন্তানের পড়াশোনার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার সাহায্য করবে বলে জানিয়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। 

এদিন সকালেই হালিশহরে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং, জগদ্দলের বিজেপি বিধায়ক রাজেশ কুমার, বীজপুরের বিজেপি বিধায়ক সুদীপ্ত দাস এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার। সেখানে মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী নানা বিষয়ে মুখ খোলেন।

তিনি দাবি করেন, এর আগের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকা কোনও নেতাকর্মীর বাড়িতে যাননি। কিন্তু তিনি এসেছেন। মৃতের পরিবার পুরোপুরি তৃণমূল করার পরও তিনি এসেছেন।

বাড়ির লোক কী চেয়েছে?
মৃতের পরিবারের লোকজন তাঁর সরকারের উপর আস্থা রেখেছে বলে জানান শুভেন্দু। পাশাপাশি তিনি খোলসা করেন, মৃতের পরিবারের লোকজন তাঁর কাছে দুটি দাবি জানিয়েছে। প্রথমত তাঁরা চেয়েছে, এর সঙ্গে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই সঙ্গে মৃতের সন্তানের পড়ানোর ব্যবস্থা করা। আর এই দুই দাবিই মেনে নেওয়া হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু।  

তিনি বলেন, 'পুলিশের লকআপে মারা গিয়েছে এটা তো দিনের আলোর মতো সত্যি। কতটা শারীরিক অত্যাচারে মারা গিয়েছে, সেটা আমরা বলতে পারব না। ৩ জন ডাক্তারের রিপোর্ট সামনে আসলেই সেটা বলা যাবে। পুলিশের গাফিলতি অবশ্যই হয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে থানার আইসিকে ক্লোজ করছি। আইওকে সাসপেন্ড করেছি। ম্যাজিস্ট্রেট ইনকুয়েরি করছি।  এক্ষেত্রে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক তদন্ত করবে।'

Advertisement


এরপরই তিনি জানান, মৃত বিরজু কেওতের স্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রীর অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে চাকরি দেওয়া হল। এছাড়া চিফ মিনিস্টার রিলিফ ফান্ড থেকে ১০ লক্ষ টাকা সাহায্য করা হল। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে কী বলেন? 
গতকাল হালিশহরে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁকে ঘিরে 'চোর চোর' স্লোগানও দেওয়া হয়। আর সেই প্রসঙ্গে আজ আবার মুখ খুললেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, 'উনি  (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে জেড প্লাস নিরাপত্তা পান। আমাদের সরকার আসার পর সেই নিরাপত্তা তোলা হয়নি। উনি যেখানে খুশি যেতে পারেন... ওনাকে আমি পরামর্শ দিতে পারি না। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বলব, আপনি মেইল করে জানালে সব প্রোটেকশন পাবেন। কাল আপনি না জানিয়ে এসেছেন। আমাদের কোনও লোক ছিল না। আমাদের এমএলএ উপস্থিত হয়ে লোক সরিয়েছে। আপনি কোথাও গেলে টাইম দিয়ে জানিয়ে আসবে। আপনার লোকের সঙ্গে লিওয়াজো করেই আসবে।'

 

POST A COMMENT
Advertisement