ইলিশের দাম কত?ভরা বর্ষা। তবুও দুই বাংলাতেই জালে উঠছে না ইলিশ। অগত্যা হিমঘরের ইলিশেই ছেয়ে আছে বাজার। টাটকা, তাজা রুপোলি শস্য উঠছে না দিঘার সমুদ্রে। ট্রলার নিয়ে গিয়ে খালি হাতে হতাশ হয়ে ফিরছেন মৎস্যজীবীরা। অগত্যা মায়ানমার ও গুজরাতের ভারুচের নর্মদা নদীর ইলিশের দিকে তাকিয়ে মাছ ব্যবসায়ীরা। এমনকি অন্যান্য মাছও তুলনামূলক কম।বাজার ছেয়ে গিয়েছে এইসব মাছে। কী এমন হল যে আচমকা সঙ্কট শুরু হল?
সাধারণত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে টন টন ইলিশ ওঠে জালে। টন তো দূরের কথা এবার দু'একটা ইলিশ ধরে ফিরছেন মৎস্যজীবীরা। তাও যা দাম তা রীতি মতো নাগালের বাইরে। এর পিছনে কারণটা কী? কী বলছেন মৎস্যজীবী, মাছ ব্যবসায়ীরা?
তাঁদের বক্তব্য, ইলিশের জন্য যে অনুকূল পরিবেশের প্রয়োজন হয় তা তৈরি হয়নি। নিম্নচাপের কারণে আবহাওয়ায় পরিবর্তন হয়েছে। ভারী বৃষ্টি হচ্ছে না। মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। তারপরেও ইলিশ না মেলায় সঙ্কটে রুপোলি শস্য। জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ইলিশ তোলার সময়। জুন পার হয়ে গেছে। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহতেও ইলিশ নেই। এর জন্য জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণকেই দায়ী করছেন মৎস্যজীবীরা। বর্ষা দেরিতে আসায় ইলিশের সংখ্যা কমছে। মাছেদের ডিম পাড়ার পরিবেশটা নষ্ট হচ্ছে। সাধারণত ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি আর পূবালী বাতাসে ইলিশের ডিম পাড়ার সময়। এই সময়ে ইলিশের স্বাদ বদল হয়।
বাজারে হিমঘরের ইলিশের দাম কত?
ডায়মন্ড হারবার, দিঘা, হলদিয়া, হুগলিতে স্থানীয় ইলিশ ওঠে। এবার সেইমতো জোগান নেই। কলকাতার গড়িয়াহাট বাজারে হিমঘরের ইলিশের দাম প্রায় ১,৫০০-১,৬০০ টাকা প্রতি কেজি। একটু বড় মাছ হলে তা ২,০০০ টাকাও ছাড়াচ্ছে। বাজারে রমরমিয়ে ইলিশ কেনার ক্রেতা নেই। ফলে হতাশ মাছ ব্য়বসায়ীরাও।