‘দিদির সঙ্গেই আছি’, বিদ্রোহী শিবিরে যোগের জল্পনা উড়িয়ে দিলেন তৃণমূল সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল

প্রতিমা মণ্ডল স্বীকার করেছেন যে, অন্য পক্ষ থেকে তাঁকে দিল্লিতে আসার জন্য একাধিকবার ফোন করা হয়েছিল এবং যোগাযোগের চেষ্টা চলছিল। কিন্তু তিনি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি বলেই দাবি করেছেন। তাঁর কথায়, 'আমার কাছে ফোন এসেছিল, যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু আমি কোথাও যাইনি।'

Advertisement
‘দিদির সঙ্গেই আছি’, বিদ্রোহী শিবিরে যোগের জল্পনা উড়িয়ে দিলেন তৃণমূল সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল
হাইলাইটস
  • তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন ঘিরে চলা জল্পনার মধ্যে দলের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি দল ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছেন।
  • একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তাঁকে নিয়ে যে খবর ছড়িয়েছে যে, তিনি বিদ্রোহী সাংসদদের শিবিরে যোগ দিয়েছেন বা বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন ঘিরে চলা জল্পনার মধ্যে দলের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি দল ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছেন। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তাঁকে নিয়ে যে খবর ছড়িয়েছে যে, তিনি বিদ্রোহী সাংসদদের শিবিরে যোগ দিয়েছেন বা বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। সেগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর বক্তব্য, তিনি ৪ জুনের পর দিল্লিতে যাননি এবং বর্তমানে কলকাতাতেই আছেন।

প্রতিমা মণ্ডলের বক্তব্য, 'আমি দিদির সঙ্গেই আছি। ৪ জুনের পর দিল্লিতে যাইনি। আমাকে নিয়ে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন।' তিনি জানান, তৃণমূলের প্রতীকেই তিনি তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন এবং সর্বশেষ নির্বাচনে প্রায় ৪ লক্ষ ৭০ হাজার ভোটে জয় পেয়েছেন। সেই কারণে ২০২৯ সাল পর্যন্ত সাংসদ হিসেবে মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়াকেই তিনি নিজের দায়িত্ব বলে মনে করছেন।

তবে তাঁর বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকও সামনে এসেছে। প্রতিমা মণ্ডল স্বীকার করেছেন যে, অন্য পক্ষ থেকে তাঁকে দিল্লিতে আসার জন্য একাধিকবার ফোন করা হয়েছিল এবং যোগাযোগের চেষ্টা চলছিল। কিন্তু তিনি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি বলেই দাবি করেছেন। তাঁর কথায়, 'আমার কাছে ফোন এসেছিল, যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু আমি কোথাও যাইনি।'

রাজনীতিতে গুজব অনেকটা বৈদ্যুতিক সার্কিটে ছড়িয়ে পড়া 'নয়েজ'-এর মতো। নয়েজ যত বাড়ে, আসল সংকেত তত অস্পষ্ট হয়ে যায়। প্রতিমা মণ্ডলের এই বক্তব্যকে সেই নয়েজের মধ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা যেতে পারে।

অর্থাৎ, তিনি দুটি বার্তা দিতে চেয়েছেন,  তিনি এখনও তৃণমূলের সঙ্গেই আছেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও তিনি দলত্যাগের পথে হাঁটেননি। এখন দেখার বিষয়, দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং বিদ্রোহের জল্পনার মধ্যে এই অবস্থান ভবিষ্যতে কতটা স্থায়ী থাকে এবং তৃণমূল নেতৃত্ব এ বিষয়ে কী প্রতিক্রিয়া জানায়।

 

POST A COMMENT
Advertisement