International Yoga Day 2026: ২১ জুন সকালে সব সরকারি কর্মীকে যোগাসন করতেই হবে, নির্দেশ দিয়ে দিল নবান্ন

২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে সমস্ত সরকারি, চুক্তিভিত্তিক ও আউটসোর্সড কর্মীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করল শুভেন্দু সরকার। রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মূল অনুষ্ঠান হবে।

Advertisement
২১ জুন সকালে সব সরকারি কর্মীকে যোগাসন করতেই হবে, নির্দেশ দিয়ে দিল নবান্নসরকারি, চুক্তিভিত্তিক ও আউটসোর্সড কর্মীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করল শুভেন্দু সরকার।
হাইলাইটস
  • যোগ দিবসে সরকারি কর্মীদের যোগদান মাস্ট।
  • ঘুম ভেঙে যোগা ম্যাট হাতে হাজিরা দিতে হবে সরকারি চাকরিজীবীদের।
  • অনুষ্ঠান নিয়ে জারি হয়েছে বিস্তারিত নির্দেশিকা।

রবিবার সকাল। ছুটির দিন। তাতে কী হয়েছে! সেদিন তো ২১ জুন, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এড়ানোর সুযোগই নেই রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের। শুভেন্দু অধিকারী সরকারের নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ওই দিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৭টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে সরকারি কর্মীদের। অর্থাৎ, ছুটির দিন ঘুম ভেঙে যোগা ম্যাট হাতে হাজিরা দিতে হবে সরকারি চাকরিজীবীদের।

কলকাতার রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে এবার একটু জাঁকজমক করেই যোগ দিবস পালন হবে। সেই অনুষ্ঠান নিয়েই জারি হয়েছে বিস্তারিত নির্দেশিকা।

মুখ্যসচিবের দফতর থেকে ১৪ জুন প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থায়ী, অস্থায়ী, চুক্তিভিত্তিক, দৈনিক মজুরিভিত্তিক, আউটসোর্সড এবং সাম্মানিকভিত্তিক; প্রায় সব ধরনের সরকারি কর্মীকেই যোগ দিবসে অংশ নিতে হবে। অর্থাৎ চাকরি যেমনই হোক, ওই একদিন সবার যোগাসন করা মাস্ট! 

নির্দেশিকা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দফতর, সরকারি আবাসন, রেড রোড অথবা মিলন মেলা প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকতে হবে কর্মীদের। শুধু সরকারি দফতর নয়, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সংস্থার কর্মীদেরও করতে হবে। প্রশাসন সূত্রে খবর, যোগব্যায়ামের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।  

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে রাষ্ট্র সংঘে ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পরে সেই প্রস্তাব গৃহীত হয়। তারপর থেকে প্রতি বছরই দেশ-বিদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যোগ দিবস পালন করা হয়।

২০২৩ সালে রাষ্ট্র সংঘের সদর দফতরে, ২০২৪ সালে শ্রীনগরে এবং গত বছর বিশাখাপত্তনমে যোগ দিবস পালন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। আর তারপরই কলকাতায় মহা ধুমধামে যোগ দিবস পালনের প্রস্তুতি।  

প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতির কারণে নিরাপত্তা ও ট্র্যাফিক নিয়েও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ফলে ২১ জুন শুধু যোগাসন নয়, কলকাতাবাসীর যাতায়াতের রুটিনেও কিছুটা 'স্ট্রেচিং' হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement