Modi Jhalmuri Seller: 'সালাম আলাইকুম বলে অস্ত্র দেখাচ্ছে,' বাংলাদেশ-পাকিস্তান থেকে হুমকি, আতঙ্কে মোদীর সেই ঝালমুড়িওয়ালা

Jhargam Jhalmuri Seller: বাংলাদেশ, পাকিস্তান থেকে হুমকি পাচ্ছেন। এমনই অভিযোগ তুললেন, প্রধানমন্ত্রীকে খাওয়ানো ঝাড়গ্রামের সেই ঝালমুড়িওয়ালা। অভিযোগ, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে একের পর এক হুমকি ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ আসছে তাঁর কাছে।

Advertisement
'সালাম আলাইকুম বলে অস্ত্র দেখাচ্ছে,' বাংলাদেশ-পাকিস্তান থেকে হুমকি, আতঙ্কে মোদীর সেই ঝালমুড়িওয়ালাঅভিযোগ, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে একের পর এক হুমকি ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ আসছে তাঁর কাছে।
হাইলাইটস
  • বাংলাদেশ, পাকিস্তান থেকে হুমকি পাচ্ছেন।
  • এমনই অভিযোগ তুললেন, প্রধানমন্ত্রীকে খাওয়ানো ঝাড়গ্রামের সেই ঝালমুড়িওয়ালা।
  • অভিযোগ, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে একের পর এক হুমকি ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ আসছে তাঁর কাছে।

Jhargam Jhalmuri Seller: বাংলাদেশ, পাকিস্তান থেকে হুমকি পাচ্ছেন। এমনই অভিযোগ তুললেন, প্রধানমন্ত্রীকে খাওয়ানো ঝাড়গ্রামের সেই ঝালমুড়িওয়ালা। অভিযোগ, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে একের পর এক হুমকি ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ আসছে তাঁর কাছে। শুধু মেসেজ নয়, ভিডিও কল করে অস্ত্র দেখিয়ে দোকান উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন ওই ব্যবসায়ী ও তাঁর পরিবার। প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তার আবেদনও জানিয়েছেন তাঁরা।

গত এপ্রিল মাসে বিধানসভা ভোটের প্রচারে ঝাড়গ্রামে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। সভা শেষ করে হেলিপ্যাডের দিকে যাওয়ার সময় কলেজ মোড়ের কাছে আচমকাই থেমে যায় তাঁর কনভয়। সেখানেই রাস্তার ধারের একটি ঝালমুড়ির দোকানে নেমে যান প্রধানমন্ত্রী। ১০ টাকার ঝালমুড়ি কিনে খান। ঝাল ও পেঁয়াজ খাবেন কি না জানতে চাইলে হাসিমুখে মোদীর জবাব ছিল, 'সির্‌ফ দিমাগ নেহি খাতা হুঁ।' সেই মুহূর্তের ভিডিয়ো এবং ছবি ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সে সময় স্বাভাবিকভাবেই আনন্দে আত্মহারা হয়েছিলেন ওই বিক্রেতা। কিন্তু এ বার সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি মুড়ি দোকানির। তাঁর অভিযোগ, 'পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করছে। ভিডিও কল করে সালাম আলেকুম বলছে। তার পর অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। বলছে, দোকান বোমা মেরে উড়িয়ে দেবে। প্রধানমন্ত্রী এসেছিল বলে এমন করছে।' আরও দাবি, দিনের বিভিন্ন সময় অচেনা নম্বর থেকে লাগাতার কল আসছে। কখনও বাংলায়, কখনও হিন্দিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাঁকে বলা হচ্ছে, তাঁর দোকান ‘টার্গেটে’ রয়েছে।

শুধু ব্যবসায়ী নন, আতঙ্কে রয়েছেন তাঁর পরিবারের লোকজনও। তাঁর মা বলেন, 'আমার ছেলেকে অত্যিষ্ঠ করে তুলেছে। আমরা গরিব মানুষ। এই ছোট দোকান থেকেই সংসার চলে। এখন দোকান উড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছে। খুব ভয় লাগছে।'

প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে ভোটের সময় রাজনৈতিক তরজাও কম হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেস গোটা ঘটনাকে ‘নাটক’ বলে কটাক্ষ করেছিল। পরে সেই মন্তব্যের জবাব দিয়েছিলেন মোদীও। আর এক সভায় তিনি বলেছিলেন, 'আমি ঝালমুড়ি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল লেগেছে তৃণমূলের।' পশ্চিমবঙ্গ জয়ের পরে মিষ্টির সঙ্গে ঝালমুড়ি বিলির কথাও বলেছিলেন তিনি। পালাবদলের পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের ঝালমুড়ি বিতরণ করতেও দেখা যায়।

Advertisement

সম্প্রতি বিদেশ সফরেও ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ টেনে আনেন প্রধানমন্ত্রী। নেদারল্যান্ডসে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলার সময়ও বাংলার এই জনপ্রিয় খাবারের উল্লেখ করেছিলেন। আর তার পর থেকেই নতুন করে আলোচনায় আসে ঝাড়গ্রামের সেই দোকান।

আপাতত স্থানীয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন ঝালমুড়ি বিক্রেতা। তাঁর আবেদন, দ্রুত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হোক। যদিও প্রশাসনের তরফে এখনও অফিসিয়ালি কিছু জানানো হয়নি। তবে গোটা ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।   

POST A COMMENT
Advertisement