Padma Shri: পদ্ম পুরস্কারে বাংলার 'নকশিকাঁথা', সিউড়ির তৃপ্তি কেন দেশের গর্ব?

হাতের কাজ শিখিয়ে ২০ হাজার মহিলাকে স্বনির্ভর করে তুলেছেন বাংলার কন্যা তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়। ৭৭তম সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হল। সম্মান পেয়ে কী প্রতিক্রিয়া দিলেন বীরভূমের এই বাঙালি?

Advertisement
পদ্ম পুরস্কারে বাংলার 'নকশিকাঁথা', সিউড়ির তৃপ্তি কেন দেশের গর্ব?পদ্মশ্রী পেলেন তৃপ্তি
হাইলাইটস
  • কাঁথাস্টিচে সমাজ গড়ার গল্প বোনেন তৃপ্তি
  • ভূষিত হলে পদ্মশ্রী সম্মানে
  • কী প্রতিক্রিয়া দিলেন বীরভূমের কন্যা?

হাতের জাদুতে গল্প 'বুনে' পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হলেন বাংলার নকশিকাঁথা শিল্পী তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের পদ্মশ্রী একাদশের মধ্যে তিনি অন্যতম। স্বীকৃতি পেলেন বীরভূমের ২০ হাজারের বেশি মহিলাকে কাঁথাস্টিচের কাজ শিখিয়ে স্বনির্ভর করে। পদ্ম সম্মান পেয়ে 'তৃপ্তির হাসি' শিল্পীর মুখে। কী প্রতিক্রিয়া তাঁর?

তৃপ্তি মুখোপাধ্যায় কী বলছেন?
পুরস্কার ঘোষণা হয়েছে সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে। খবর মিলতেই তৃপ্তি মুখোপাধ্যায় বলেন, 'আমি অত্যন্ত খুশি। কারণ এটার জন্য বহু বছর ধরে অপেক্ষা করে ছিলাম।' সূঁচ-সুতোর কারিকুরিতে পদ্ম সম্মান পাওয়া তৃপ্তি জানিয়েছেন, নেপথ্য কারিগর তাঁর মা। ফলে এটার মা মায়া বন্দ্যোপাধ্যায়কেই এই পুরস্কার উৎসর্গ করেন তিনি। তিনি বলেন, 'এই সম্মান পাওয়ার পিছনে সমস্ত অবদান আমার মায়ের। এমব্রয়ডারির কাজ আমি মায়ের থেকেই শিখেছি। অনেক বছর ধরে তিনি আমায় শিখিয়েছেন। গত ৪০ বছর ধরে আমি কাঁথাস্টিচের কাজ করছি। ২০ হাজার মহিলাকে এউই কাজ আমি শিখিয়েছি। বীরভূম জুড়ে বহু মহিলা আমার থেকে হাতের কাজ শিখে স্বনির্ভর হয়েছেন। এখনও একই কাজ করে চলেছি আমি।'

নকশিকাঁথায় ফুটে ওঠে সমাজ
সূঁচ-সুতোর মাধ্যমে তৃপ্তি মুখোপাধ্যায় ফুটিয়ে তোলেন সমাজ, গ্রাম্য জীবন, এমনকী মহাভারত-রামায়নের কাহিনিও। ২০১২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারও গ্রহণ করেছিলেন বাংলার এই কন্যা। ২০১৭ সালে বঙ্গশ্রী সম্মানে ভূষিত হন। ২০১৮ সালে বস্ত্র মন্ত্রক থেকে তাঁকে হস্তশিল্পে 'শিল্পগুরু' সম্মান দেওয়া হয়। ভারত সরকার ভারতীয় শিল্পের প্রচারের জন্য বার্মিংহাম, লন্ডন এবং সম্প্রতি জাপানেও পাঠিয়েছে তাঁকে। এবার তাঁর সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হল পদ্মশ্রীও। 

 

POST A COMMENT
Advertisement