scorecardresearch
 
 

BJP-তে বড় ভাঙন! কেতুগ্রামে তৃণমূলে যোগ দিলেন দেড়শো নেতা-কর্মী

মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম বিধানসভার কাঁদরায় তৃণমূলের শহিদ ভবনের সামনে বিজেপি থেকে আসা সকল কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন কেতুগ্রাম বিধানসভার বিধায়ক শেখ শাহনেয়াজ।

তৃণমূলে যোগ দিলেন কেতুগ্রামের বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মী। মঙ্গলবার। ছবি: সুজাতা মেহরা তৃণমূলে যোগ দিলেন কেতুগ্রামের বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মী। মঙ্গলবার। ছবি: সুজাতা মেহরা
হাইলাইটস
  • পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম বিজেপিতে ভাঙন দেখা দিল
  • দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রায় দেড়শো বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মী
  • তাঁদের দাবি, তাঁদের ওপর আক্রমণ হলেও দল পাশে দাঁড়ায়নি

পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম বিজেপিতে ভাঙন দেখা দিল। দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রায় দেড়শো বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মী। তাঁদের দাবি, তাঁদের ওপর আক্রমণ হলেও দল পাশে দাঁড়ায়নি।

মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম বিধানসভার কাঁদরায় এখ উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। তৃণমূলের শহিদ ভবনের সামনে বিজেপি থেকে আসা সকল কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়।

এবং তাঁদের নতুন দলে স্বাগত জানানো হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেতুগ্রাম বিধানসভার বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ। তাঁর নেতৃত্বেই এই যোগদান সম্পন্ন হয়।

কাঁদরা অঞ্চলের ৬৪, ৬৫, ৬৬ এবং ৬৭ নম্বর বুথ থেকে বিজেপি ছেড়ে একঝাঁক বিজেপি কর্মী-সদস্য যোগ দিলেন তৃণমূলে। যোগদানকারীদের মধ্যে বিজেপি যুব মোর্চার মিডিয়া সেলের সিও বীর প্রধান রয়েছে।

টিএমসি বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ জানিয়েছেন, যোগদানকারীদের মধ্যে বিজেপির মন্ডল সভাপতি, বুথ সভাপতিরাও আছে। তিনি জানান, তাঁরা টিএমসির সঙ্গেই ছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন।

তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। আর তাঁরা সেই ভুলে পা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এখন তাঁরা বুঝতে পেরেছেন।

তিনি আরও জানান, তাই তাঁরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন দেখে তাতে সামিল হতে চান। তাই তৃণমূলে যোগ দিল। তাদের সাদরে গ্রহণ করা হল। 

অন্যদিকে, যোগদানকারীরা জানিয়েছেন, দলের পরাজয়ের পর যখন বিজেপি করার কারণে তাঁদের ওপর অত্যাচার হচ্ছিল। তখন দলের কোনও নেতৃত্বকে পাশে পাওয়া যায়নি। নিরাপত্তা ছিল না তাঁদের।

তাঁদের দাবি, এ বিষয়ে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে জানানো হয়। আর তখন তিনি বলেন, পছন্দ না হলে ছেড়ে দাও। দলত্যাগী বিজেপি যুব মোর্চার মিডিয়া সেলের সিও বীর প্রধানও তেমনই জানান। তাই তারা দল ছাড়লেন। এবং তৃণমূল কংগ্রেসেই যোগ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এদিকে, এদিন রাজ্যের বেশ কয়েক জায়গায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের যোগ দেওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। বিজেপি দাবি করেছে, তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। তাই তাঁরা দল ছাড়ছেন।