আসানসোল-দুর্গাপুর এরিয়াল মেট্রোয় বড় অগ্রগতি, শেষ পর্যায়ে ‘রাইটস’-এর সমীক্ষা

কেন্দ্রীয় বাজেটে আসানসোল-দুর্গাপুর এরিয়াল মেট্রো প্রকল্পের ঘোষণা হওয়ার পর এবার সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের পথে দ্রুত এগোচ্ছে কাজ। মেট্রো প্রকল্প এবং নতুন সেতু নির্মাণের বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট (ডিপিআর) তৈরির আগে প্রয়োজনীয় সমীক্ষার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্য সরকারও প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতি জোরদার করেছে।

Advertisement
আসানসোল-দুর্গাপুর এরিয়াল মেট্রোয় বড় অগ্রগতি, শেষ পর্যায়ে ‘রাইটস’-এর সমীক্ষাতৈরি হবে আসানসোল-দুর্গাপুর মেট্রোর কাজ।-প্রতীকী ছবি
হাইলাইটস
  • কেন্দ্রীয় বাজেটে আসানসোল-দুর্গাপুর এরিয়াল মেট্রো প্রকল্পের ঘোষণা হওয়ার পর এবার সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের পথে দ্রুত এগোচ্ছে কাজ।
  • মেট্রো প্রকল্প এবং নতুন সেতু নির্মাণের বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট (ডিপিআর) তৈরির আগে প্রয়োজনীয় সমীক্ষার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।

কেন্দ্রীয় বাজেটে আসানসোল-দুর্গাপুর এরিয়াল মেট্রো প্রকল্পের ঘোষণা হওয়ার পর এবার সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের পথে দ্রুত এগোচ্ছে কাজ। মেট্রো প্রকল্প এবং নতুন সেতু নির্মাণের বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট (ডিপিআর) তৈরির আগে প্রয়োজনীয় সমীক্ষার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্য সরকারও প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতি জোরদার করেছে।

রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, আসানসোল ও দুর্গাপুরকে আধুনিক স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যতে মেগা সিটিতে উন্নীত করার লক্ষ্যেই এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, দুই শিল্পশহরের মধ্যে দ্রুত, নিরাপদ এবং আধুনিক গণপরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য।

বর্তমানে আসানসোল থেকে দুর্গাপুর ট্রেনে যেতে প্রায় ৩০ মিনিট এবং সড়কপথে ৩৫ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগে। এই যাতায়াত আরও সহজ ও দ্রুত করতে এরিয়াল মেট্রো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছে সরকার।

প্রকল্পের কারিগরি ও আর্থিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশেষজ্ঞ সংস্থা ‘রাইটস’-কে। প্রচলিত ভূগর্ভস্থ মেট্রোর তুলনায় এরিয়াল মেট্রো নির্মাণে খরচ কম এবং বাস্তবায়নও তুলনামূলক সহজ। সূত্রের খবর, ‘রাইটস’-এর টেকনো-ইকোনমিক ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ প্রায় শেষ। সমীক্ষা শেষ হলেই বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট তৈরির কাজ শুরু হবে।

শুধু মেট্রো নয়, বার্নপুরের সঙ্গে বাঁকুড়াকে যুক্ত করতে দামোদর নদের ওপর নতুন সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষাও শেষ পর্যায়ে। এই প্রকল্পের ডিপিআর তৈরির কাজও শীঘ্রই শুরু হবে।

এদিকে, শিল্পাঞ্চলের পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ টানতেও উদ্যোগী হয়েছে আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আড্ডা)। কালিপাহাড়ির গাড়ই নদী সংলগ্ন এলাকা এবং মঙ্গলপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটে নতুন শিল্পপার্ক গড়ে তুলতে জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে।

সরকারের নজরে রয়েছে অন্ডালের কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরও। যাত্রী পরিষেবার পাশাপাশি কার্গো পরিষেবা চালু করতে এবং নতুন বিমান রুট চালুর জন্য বিমানবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

এছাড়া বর্ষা শেষ হলেই পশ্চিম বর্ধমানের ক্ষতিগ্রস্ত ও জীর্ণ রাস্তাগুলির সংস্কারের কাজ শুরু করবে আড্ডা। সব মিলিয়ে মেট্রো, সেতু, শিল্পপার্ক, বিমানবন্দর ও সড়ক পরিকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে আসানসোল-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

 

POST A COMMENT
Advertisement