Cash Recovered: গাজোলে রাস্তায় উদ্ধার লাখ লাখ টাকা, পালানোর চেষ্টা করছিল ২ বাইক চালক

মালদার গাজোলে জাতীয় সড়কে উদ্ধার হল লাখ লাখ টাকা। বাইকে করে সেই টাকা নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল ২ জন। হাতেনাতে পাকড়াও করে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে লক্ষাধিক টাকার ব্রাউন সুগারও।

Advertisement
গাজোলে রাস্তায় উদ্ধার লাখ লাখ টাকা, পালানোর চেষ্টা করছিল ২ বাইক চালকটাকা উদ্ধার মালদার জাতীয় সড়কে
হাইলাইটস
  • গাজোলে জাতীয় সড়কে উদ্ধার লাখ লাখ টাকা
  • বাইকে করে সেই টাকা নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল ২ জন
  • উদ্ধার হয়েছে লক্ষাধিক টাকার ব্রাউন সুগারও

এবার মালদার গাজোল। জাতীয় সড়কের উপর ২টি সন্দেহজনক বাইক দাঁড় করায় পুলিশ। তল্লাশি চালাতেই সেখান থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ টাকা। পুলিশ সূত্রে খবর, টাকার মোট মূল্য ৪১ লক্ষেরও বেশি। ২ বাইক চালককেই আটক করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে আরও লক্ষাধিক টাকার ব্রাউন সুগারও উদ্ধার হয়েছে। 

গাজোলের রঙ্গভিটা এলাকার ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে ওই বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে পালাচ্ছিল ২ বাইক চালক। সূত্র মারফত ইঙ্গিত, ডালখোলা থেকে মালদায় চালান করা হচ্ছিল ৪০ লক্ষ ৬৯ হাজার ৭০০ টাকা এবং ৫৬৮ গ্রামের লক্ষাধিক টাকার ব্রাউন সুগার। ধৃত ব্যক্তিরা হলেন সিদ্ধার্থ মণ্ডল এবং কিশোর মণ্ডল। ২ জনেই মালদার কালিয়াচক এলাকার বাসিন্দা। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ওই বিপুল টাকা ও বাইকগুলি। 

দিন তিনেক আগে মালদায় মাদক কারবারের তদন্তে নেমে একটি ফ্ল্যাট থেকে ২ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। এছাড়াও পাওয়া যায় ২০ লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ সহ ২০ গ্রাম সোনা। ৩ জনকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়। 

ঠিক একই ভাবে গত ৫ জুলাই দক্ষিণ দিনাজপুরে অভিযান চালিয়ে প্রায় দেড় হাজার বোতল নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে উঠে আসে পুরাতন মালদা যোগ। তারপরই মালদা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় হানা দিয়ে মালদা ও দিনাজপুরের পুলিশ মাদক ও টাকা উদ্ধার করে। 

প্রসঙ্গত, বীরভূম জেলার এক প্রভাবশালী এবং বর্তমানে পলাতক পাথর ব্যবসায়ী, যাঁকে 'পাথরসম্রাট' বলেই চিহ্নিত করা হয়, তাঁর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাডট়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা উদ্ধার হয়। পুলিশ ও তদন্তকারীরা নগদ প্রায় ৫৩ কোটি টাকা এবং ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার করে। 

২০০ কোটি টাকার উপর সম্পত্তি ছিল টুলু মণ্ডলের। তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৪২টি গাড়ি, ৩০০ বিঘা জমি ও একাধিক রিয়্যাল এস্টেট। মিনার মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হলেও এখনও পলাতক টুলু। পুলিশ যখন তাঁকে হন্যে হয়ে খুঁজছে, ঠিক তখনই তিনি আড়ালে থেকে নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং গ্রেফতারির বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement