মালদার হরিশচন্দ্রপুরে নৃশংস ঘটনা, প্রতিবাদ স্থানীয়দের দুই মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় মালদায়। চরম মারধরে এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। বাংলা-বিহার সীমানায় মালদার হরিশচন্দ্রপুরে ঘটেছে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
ঘটনা প্রকাশ্যে আসে বৃহস্পতিবার সকালে। ঘাস কাটার সময়ে দুই মহিলার উপর কয়েকজন চড়াও হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, ওই ২ জনের মধ্যে একজনকে জোর করে অপহরণ করা হয়। তাঁকে ধর্ষণ করার পর শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে বলে দাবি। দ্বিতীয় মহিলাকে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি নৃশংস ভাবে হামলা করে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এদিন দুপুরে মালদার হরিশচন্দ্রপুর ব্লক ২-এর দৌলতনগরে বাংলা-বিহার সীমানার কাছে, বিহারের অহমেদাবাদ থানার নিকটবর্তী স্থানে গোবিন্দপুর অঞ্চলে ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন ওই দুই মহিলা। অভিযোগ, ওই স্থানে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি মহিলাদের পথ আটকান। তাঁদের মধ্যে একজনকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় সে। দ্বিতীয়জন বাধা দিলে তাঁকে চরম মারধর করেন। প্রথম মহিলাকে জমিতে টানতে টানতে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় সে। জানা গিয়েছে, সেখানে প্রথমে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করা হয় ও পরে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
আহত দ্বিতীয় মহিলার উপরও নৃশংস অত্যাচার করে ওই যুবক। কিন্তু ঘটনাস্থল থেকে কোনওমতে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন তিনি। গ্রামে ফিরে এসে সকলকে সবটা জানান তিনি। ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রামবাসীরা প্রথম মহিলার দেহ উদ্ধার করেন। মালদার হরিশচন্দ্রপুর এবং বিহারের অহমেদাবাদ থানার আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে দুই রাজ্যেরই পুলিশ।
অভিযুক্তের গ্রেফতারির দাবিতে রাস্তা অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। হরিশচন্দ্রপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, প্রথম মহিলার মৃতদেহ ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে খতিয়ে দেখে পুলিশ জানাচ্ছে, মহিলাকে শ্বাসরোধ করেই খুন করা হয়েছে। তাঁর শরীকেক একাধিক অংশে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে। তবে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না, তা পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত বলা সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।