scorecardresearch
 
 

"বিজেপির গিমিক হিংসা", ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগে জবাব মমতার

বৃহস্পতিবার নবান্নে কৃষকবন্ধু প্রকল্পের সূচনা পর্বে সংবাদমাধ্যমের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, রাজ্যে কি রাজনৈতিক সন্ত্রাস চলছে? জবাবে পালটা সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আপনারা কি দেখতে পাচ্ছেন? আপনারাই তো বেশি খবর রাখেন।" নাম না করে এদিন রাজ্যপালকেও নিশানা করেন মমতা। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
হাইলাইটস
  • "রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা নেই"
  • "হিংসাকে আমরা সমর্থন করি না"
  • নবান্নে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী হিংসার অভিযোগের প্রেক্ষিতে পালটা জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বৃহস্পতিবার নবান্নে কৃষকবন্ধু প্রকল্পের সূচনা পর্বে সংবাদমাধ্যমের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, রাজ্যে কি রাজনৈতিক সন্ত্রাস চলছে? জবাবে পালটা সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আপনারা কি দেখতে পাচ্ছেন? আপনারাই তো বেশি খবর রাখেন।" নাম না করে এদিন রাজ্যপালকেও নিশানা করেন মমতা। 

অন্যদিকে নারী নির্যাতন ও রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় কমিশনের রাজ্যে যাতায়াত নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যে কেউ যে কোনও রাজ্যে যেতে পারেন। তবে তাঁদের একটু বেশি করে উত্তরপ্রদেশ গুজরাতে যাওয়া উচিত ছিল। যেখানে নদিতে মৃতদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে, কোভিড রোগীদের কোনও রেকর্ড নেই, মকটেস্ট করতে গিয়ে বিনা অক্সিজেনে রোগীদের মৃত্যু হচ্ছে, সেই সমস্ত ইতিহাস না ঘেঁটে বাংলায় হারার পরেও বিজেপির লজ্জা নেই। বিজেপির এটাই অভ্যাস। বিজেপি সমস্ত এজেন্সিকে দিয়েই এগুলো করায়। এটা বিজেপির প্রি প্ল্যান।" 

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "আমি কোনও হিংসাকে সমর্থন করি না। আমরা হিংসার নিন্দা করি। আমি পুলিশকেও বলেছি কোথাও এই ধরনের ঘটনা ঘটলে কড়া পদক্ষেপ নিতে। তবে এগুলো রাজনৈতিক হিংসা নয়, বিজেপির গিমিক হিংসা।" পাশাপাশি রাজ্যপালের থাকা উচিত কি না সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমি নিজে ৩ বার প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছি ওনাকে ফিরিয়ে নিন।"

প্রসঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উঠছে। সংঘর্ষে ইতিমধ্যে বেশকয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি মহিলাদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে। আর প্রায় সবক্ষেত্রেই অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার তথা শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি (BJP)। একইসঙ্গে রাজ্যপালের দ্বারস্থও হয়েছেন রাজ্যের বিজেপি বিধায়করা। এই সমস্ত ঘটনা রাজ্যকে নিশানা করেছেন রাজ্যপালও।