CM Mamata: 'বরাদ্দ বন্ধ,' কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর সামনেই 'বঞ্চনা' নিয়ে সরব মমতা

কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার জলপাইগুড়িতে কলকাতা হাই কোর্টের সার্কিট বেঞ্চের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল।

Advertisement
'বরাদ্দ বন্ধ,' কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর সামনেই 'বঞ্চনা' নিয়ে সরব মমতাকেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।
হাইলাইটস
  • কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  •  একই মঞ্চে ছিলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন মেঘওয়াল ও মুখ্যমন্ত্রী।
  • সেখানেই ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে সরব হলেন মমতা। 

কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার জলপাইগুড়িতে কলকাতা হাই কোর্টের সার্কিট বেঞ্চের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে একই মঞ্চে ছিলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন মেঘওয়াল ও মুখ্যমন্ত্রী। আর সেখানেই ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে সরব হলেন মমতা। মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রাখার অভিযোগ তোলেন। কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকারের তরফে বিচার ব্যবস্থার উন্নয়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত খতিয়ান তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আদালত সংক্রান্ত পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। সেই প্রসঙ্গেই কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মমতা। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে তিনি বলেন, 'দয়া করে কিছু মনে করবেন না। ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। দুঃখিত, আমাকে এটা বলতেই হল।' 

মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে রাজ্যে মোট ৮৮টি ফাস্ট ট্র্যাক আদালত চলছে। এর মধ্যে ৫২টি মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট। সাতটি পকসো আদালত, চারটি শ্রম বিষয়ক আদালত এবং ১৯টি মানবাধিকার সংক্রান্ত মামলা দেখভাল করে। বিচারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে রাজ্য সরকার ভবিষ্যতেও কাজ চালিয়ে যেতে চায় বলেও জানান তিনি।

এদিন সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষারও দাবি তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, চারটি বিষয় তাঁদের কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ; সংবিধান, দেশের নাগরিক, বিচারব্যবস্থা এবং সংবাদমাধ্যম। প্রধান বিচারপতি ও উপস্থিত সমস্ত বিচারপতিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, 'আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ, কোনও সংকট বা বিপর্যয়ের হাত থেকে যেন সংবিধান ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করা হয়।'

একই সঙ্গে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কোনও মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণার আগেই কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার প্রবণতা বাড়ছে। কিছু সংস্থা এই কাজ করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। বিচারপতিদের কাছে তাঁর আবেদন, যাতে সাধারণ মানুষ মানহানির শিকার না হন, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করা হোক। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘আমি নিজের কথা বলছি না। গণতন্ত্র বাঁচান, সংবিধান বাঁচান, দেশ বাঁচান। আমরা আপনাদের হাতেই নিরাপদ।’

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement