LIVE: I-PAC কাণ্ডে ED-র আধিকারিকদের উপর পুলিশের FIR-এ স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

ইডির আরও অভিযোগ, এই গোটা ঘটনায় রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরাও যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপি রাজীব কুমার এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ কুমার ভার্মাকে অবিলম্বে বরখাস্ত করার পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবি জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

Advertisement
LIVE: I-PAC কাণ্ডে ED-র আধিকারিকদের উপর পুলিশের FIR-এ স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের
হাইলাইটস
  • আই-প্যাক দফতরে ইডির অভিযান ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এবার সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে।
  • এই মামলায় শীর্ষ আদালতে একটি আবেদন দাখিল করে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

আই-প্যাক দফতরে ইডির অভিযান ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এবার সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে। এই মামলায় শীর্ষ আদালতে একটি আবেদন দাখিল করে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তদন্ত চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট বা ‘চুরি’ করেছেন।

সুপ্রিম কোর্টে লাইভ শুনানি 

  • IPAC কাণ্ডে ED-র আধিকারিকদের বিরুদ্ধে করা ৪ এফআইএর-এ স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের।  
    আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ, কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থার কোনও দলের  নির্বাচনী কাজে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। সেটাও নিশ্চিত হওয়া দরকার। 
  • আইনের শাসন মেনে চলা এবং প্রতিটি সংস্থাকে স্বাধীনভাবে কার্য সম্পাদন করতে দেওয়া জরুরি। কোনও নির্দিষ্ট রাজ্যের অনুমোদনকারী সংস্থা নিজেদের ক্ষমতা ব্যবহার করে অপরাধীদের সুরক্ষা দিতে পারে না। পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। 
  • ইডি ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উপর রাজ্যের হস্তক্ষেপ, গুরুতর সমস্যা। পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। 
  • এই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টে কিছু অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছিল। সেটা সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছে। বললেন বিচারপতি।
  •  ED ও রাজ্য সরকারের তরফে কী কী সওয়াল জবাব করা হয়েছে নির্দেশনামায় তার উল্লেখ করছেন বিচারপতি। 
  • ইডি জানিয়েছে, তারা ২০২০ সাল থেকে একটি কেলেঙ্কারির তদন্ত করছিল। সেই তদন্তে তারা জানতে পারে ২০ কোটি টাকা কান্তিলাল ফার্মে স্থানান্তরিত হয়েছিল। পরে তা আইপ্যাকের কাছে পাঠানো হয়। জানাল সুপ্রিম কোর্ট। 
  • কেবল সিবিআই তদন্ত নয়, রাজ্যের বাইরে থেকে যেন এর তদন্ত হয়, সেটাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করি, সুপ্রিম কোর্টে দাবি ED-র আইনজীবীর। 

সুপ্রিম কোর্টে ইডির পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, 'আই-প্যাক দফতরে অভিযান চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান।' তাঁর অভিযোগ, সেই সময় তদন্তকারী আধিকারিকদের কাছ থেকে জোর করে ল্যাপটপ, গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়, যার ফলে তদন্ত প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

ইডির আরও অভিযোগ, এই গোটা ঘটনায় রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরাও যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপি রাজীব কুমার এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ কুমার ভার্মাকে অবিলম্বে বরখাস্ত করার পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবি জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

ইডির বক্তব্য, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজে বাধা দিতে রাজ্যের প্রশাসনিক যন্ত্রকে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা আইন ও সংবিধানের পরিপন্থী। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট মামলাটির শুনানি করছে এবং কেন্দ্র ও রাজ্যের ক্ষমতার সাংবিধানিক সীমা, পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখছে।

আই-প্যাক দফতরে ইডির অভিযান ঘিরে মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ওঠে। শুনানির সময় বিচারপতি পি কে মিশ্র সরাসরি জানতে চান, ঠিক কী কারণে ইডি আই-প্যাকের দফতরে গিয়েছিল এবং সেখানে গিয়ে তারা কোন বিষয়ে তদন্ত করছিল।

এর জবাবে ইডির পক্ষে সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, গোটা বিষয়টি ২,৭৪২ কোটি টাকার একটি বহু-রাজ্যব্যাপী অর্থ পাচারের মামলার সঙ্গে যুক্ত। আদালতের তরফে আরও স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া হলে তিনি বলেন, তদন্তে উঠে এসেছে যে অবৈধভাবে তোলা কয়লা একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছিল। সেই সূত্র ধরেই সংশ্লিষ্ট নথি ও তথ্য সংগ্রহের জন্য আই-প্যাক দফতরে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement