Mithun Chakraborty: 'যুদ্ধ লাগলে গ্যাসের দাম বাড়ে,' মন্তব্য মিঠুনের, বাংলায় তেলের দাম নিয়েও মমতাকে টার্গেট

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধের প্রভাব এবার ভারতের গৃহস্থের রান্নাঘরেও পড়েছে। রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে রাজ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রবিবার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিলের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই কর্মসূচিকে ঘিরেই মুখ খুললেন বিজেপি নেতা ও অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।

Advertisement
'যুদ্ধ লাগলে গ্যাসের দাম বাড়ে,' মন্তব্য মিঠুনের, বাংলায় তেলের দাম নিয়েও মমতাকে টার্গেটমিঠুন চক্রবর্তী
হাইলাইটস
  • মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধের প্রভাব এবার ভারতের গৃহস্থের রান্নাঘরেও পড়েছে।
  • রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে রাজ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধের প্রভাব এবার ভারতের গৃহস্থের রান্নাঘরেও পড়েছে। রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে রাজ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রবিবার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিলের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই কর্মসূচিকে ঘিরেই মুখ খুললেন বিজেপি নেতা ও অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।

শনিবার বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মিঠুন বলেন, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে অযথা রাজনীতি করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, 'মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বিষয়টা তৈরি করছেন। উনিও জানেন গ্যাস কোথা থেকে আসে এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি কী। এখন যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, ফলে সব কিছুতেই ঘাটতি দেখা দিতে পারে।' তিনি আরও বলেন, 'যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পেট্রোল ও ডিজেলের দামও বাড়তে পারে, যা কোনওভাবেই শুধু ভারতের সিদ্ধান্ত নয়।' একই সঙ্গে বাংলায় পেট্রোল ও ডিজেলের দাম তুলনামূলক বেশি কেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

এদিন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আশাবাদী সুর শোনা যায় মিঠুনের গলায়। তিনি বলেন, বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’য় সাধারণ মানুষের সাড়া মিলছে এবং আগের তুলনায় রাজ্যে দলের সংগঠন অনেক শক্তিশালী হয়েছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি আগের চেয়ে অনেক ভালো ফল করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, 'সনাতনীরা জেগে উঠছে', এবং দলের কর্মী-সমর্থকদের শান্ত থেকে সংগঠন মজবুত করার বার্তাও দেন তিনি।

মিঠুন চক্রবর্তী আরও অভিযোগ করেন, রাজ্যের শাসক দলই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে। তবে বিজেপি কোনও ঝামেলা চায় না বলেই তিনি জানান। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন, বিজেপি বাংলাকে ভাগ করতে চায় না। তাঁর কথায়, 'বাংলা ভাগ না করার জন্যই আমরা লড়ব।'

এদিন রাজ্য সরকারের বিভিন্ন ভাতা প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ না দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করতে শোনা যায় বিজেপি নেতাকে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement