NCPI-তে যোদ ২০ তৃণমূল সাংসদের, শান্তনু দে (ডান দিকে)প্রথমটায় আপত্তি জানালেও তৃণমূল থেকে আসা ২০ জন সাংসদকে শেষ পর্যন্ত স্বাগত জানালেন NCPI নেতা শান্তনু দে। যদিও এই তৃণমূল সাংসদরা যে আদৌ তাঁদের দলে যোগ দিচ্ছেন তা বিন্দুবিসর্গও জানতেন না ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়ার ন্যাশনাল অর্গানাইজিং জেনারেল সেক্রেটারি। এখনও পর্যন্ত কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের ব্লকের কারও সঙ্গেই কথা হয়নি শান্তনুর। তবে তিনি আশাবাদী, খুব শীঘ্রই তাঁরা যোগাযোগ করবেন এবং বৈঠকে বসবেন।
তৃণমূল থেকে আসা সাংসদদের নিয়ে আর আপত্তি নেই
শান্তনু দে বলেন, 'সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দলের অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে। দলের অন্যান্য নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এখন আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। কারণ ওঁরা এলে দল বড় হবে। আরও কাজ করা যাবে। একজন সাংসদ ভাল মাইনে পায়, তাঁরা সাহায্য করলে দল বাড়বে, আমিও খুশি হব।'
সাংসদরা যোগাযোগ করুন, চাইছেন নেতৃত্ব
জানা গিয়েছে, NCPI-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শিউলি ও উত্তীয় কুণ্ডুর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক চলছে তৃণমূল থেকে আসা ২০ জনের। তবে শান্তনু দে চাইছেন, তাঁকে ফোন করা হোক, তাঁর সঙ্গে বৈঠকে বসুক কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা।
NCPI-তে যোগদানের কোনও খবর ছিল না
শান্তনু দে বলেন, 'আমরা মিডিয়া থেকেই জানতে পেরেছি ওঁরা আমাদের দলে আসছেন। আমাদের সবার মনে দুঃখ রয়েছে যে আমাদের বিন্দুবিসর্গ জানানো হয়নি। তবে আশাবাদী ওঁরা আমাদের ফোন করবেন। অপেক্ষায় রয়েছি।' তিনি আরও বলেন, 'ওঁরা আমাকে অস্বীকার করতে পারবেন না। যতক্ষণ না ফোন আসছে, ওঁদের কর্মকাণ্ডের উপর নজর রাখছি। ফোন এলে একসঙ্গে কাজ করার পরিস্থিতি তৈরি হবে।'
দলবদলুদের নিয়ে আপত্তি এখন আর নেই?
শান্তনু দে-এর কথায়, 'আমরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে বরাবরই। ত্রিপুরাও তৃণমূলের বিরুদ্ধেই লড়েছি। কিন্তু যখন আমাদের দলে চলে এসেছে, তখন তো ওঁরা আর তৃণমূল থাকছে না। NCPI হয়ে গিয়েছেন। কাজের ধরণ পরিবর্তন হবে, চিন্তাধারারও পরিবর্তন হবে এখন।'
NCPI-এর নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গে সাংসদ শর্মিলা সরকার বলেন, 'এই নিয়ে যা বলার সুদীপদা, কাকলিদি, শতাব্দীদিরাই বলবেন।'