ফাইল ছবিপ্রথম দফার ভোট পড়েছে তীব্র গরমের মধ্যেই। কাঠফাটা রোদ উপেক্ষা করে ১৬টি জেলায় ৯০ শতাংশের বেশি ভোটার লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছেন। সামনে দ্বিতীয় দফা ভোট ২৯ এপ্রিল। তার আগে আবহাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি মিলবে কি না, সেই দিকেই তাকিয়ে সবাই।
আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, এপ্রিলের শেষ দিকে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। শনিবার থেকেই রাজ্যে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। রবিবার ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। ওই সময় ৫০-৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া, এই জেলাগুলিতে ঝড়-বৃষ্টির দাপট বেশি থাকতে পারে। কোথাও কোথাও ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ ৫০ কিমি বা তারও বেশি হতে পারে।
মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা
রবিবার ও সোমবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর ওড়িশা উপকূলে সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের। বঙ্গোপসাগরে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে, ফলে সমুদ্র উত্তাল থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
আজও তীব্র গরমের দাপট
শুক্রবারও গরম ও অস্বস্তি চরমে থাকবে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমানের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি বা তারও বেশি ছুঁতে পারে। কলকাতাসহ প্রায় সব জেলাতেই অস্বস্তিকর গরম থাকবে। শুষ্ক পশ্চিমী হাওয়া এবং বাতাসে বেশি জলীয় বাষ্প থাকার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
তবে বিকেলের দিকে বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় হালকা বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার পর্যন্ত এই অস্বস্তি বজায় থাকতে পারে।
উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি বাড়বে
উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ঝড়-বৃষ্টি চলবে। শনিবার ও রবিবার পার্বত্য জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে, সঙ্গে থাকবে বজ্রবিদ্যুৎ। কিছু জায়গায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিও হতে পারে।
কলকাতার আবহাওয়া
কলকাতায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৮ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৫৫ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে থাকছে, যার ফলে গরমের অস্বস্তি আরও বাড়ছে।