পানিহাটি পুরসভাঅচল পানিহাটি পুরসভা। সরকার বদলের পর পুরসভায় আসছেনই না চেয়ারম্যান সোমনাথ দে। ১০ জন কাউন্সিলর ইতিমধ্যে পদত্যাগ করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকায় পদত্যাগ করা কাউন্সিলররা কাউকেই পদত্যাগপত্র দেননি। ফলে এই পদত্যাগ বেআইনি। তার মধ্যে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন ৪ জন কাউন্সিলর। মাস তিনেক ধরে মুখ থুবড়ে পড়েছে পানিহাটি পুরসভা। ফলে অসুবিধায় পড়তে পারেন পানিহাটির ৫ লক্ষ বাসিন্দা।
এই অচলাবস্থা কাটাতে আগামী ১৭ জুলাই পানিহাটি পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড মিটিং ডাকা হয়েছে। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কী অনাস্থা প্রস্তাব আনা হতে পারে? নাকি এই অচলাবস্থা কাটানোর জন্য নতুন কোনও চেয়ারম্যানকে বসানো হবে? তা স্থির হবে এই বৈঠকের পরই।
উপ পুরপ্রধান সুভাষ চক্রবর্তী বলেন, "চেয়ারম্যান সই না করলে অনেক কাজ আটকে যায়। চেয়ারম্যানের দায়িত্ব কাউকে নিতে হতে পারে। ১৭ জুলাই মিটিং ডেকেছি। চেয়ারম্যান কে হবেন, কী করা হবে তা নিয়ে আলোচনা হবে। চেয়ারম্যান বদল হলে কোনও আপত্তি নেই।"
প্রসঙ্গত, চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ছাড়া পুরসভার অনেক কাজ আটকে যায়। বেতন আটকে যায় পুর কর্মীদের। আপাতত দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ভাইস চেয়ারম্যান সুভাষ চক্রবর্তী। এদিকে পুরসভার নির্বাচন হতে প্রায় ৬ মাস অপেক্ষা করতে হবে। ততদিন পুরপ্রধানের পদ ফাঁকা থাকলে আরও অচল হয়ে পড়বে পানিহাটি অঞ্চল। বর্ষায় জল জমার সমস্যা, ডেঙ্গি মোকাবিলা থেকে রাস্তাঘাট, নর্দমা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ সবেতেই বাধা আসছে। আপাতত ১৭ জুলাইয়ের এই বৈঠকে ১৫ কাউন্সিলর উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।